‘চুরি যাওয়া’ সেই নবজাতকের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে, বাবা-মা গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাওয়ালখালি গ্রামে নিখোঁজের ৩৮ ঘণ্টা পরে ১৫ দিন বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার মধ্যরাতে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবা সোহাগ হোসেন ও মা ফাতেমা খাতুন অভিযোগ করেন, তাদের সন্তান চুরি হয়ে গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাওয়ালখালি গ্রামে নিখোঁজের ৩৮ ঘণ্টা পরে ১৫ দিন বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার মধ্যরাতে সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবা সোহাগ হোসেন ও মা ফাতেমা খাতুন অভিযোগ করেন, তাদের সন্তান চুরি হয়ে গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফাতেমার মা নূর নাহার খাতুন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, গত ১১ নভেম্বর শহরের আনোয়ারা ক্লিনিকে তার নাতির জন্ম হয়। শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বুধবার সোহাগ ও মা ফাতেমা শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফাতেমা জানায়, ঘর থেকে শিশুটি চুরি হয়ে গেছে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাহ উদ্দিন বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ফাতেমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি জানান, সোহাগ হোসেন শিশুটিকে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়ে আসে। তারপর প্রচার করে দেওয়া হয় বাচ্চা চুরি হয়েছে।

চিকিৎসকের পরমর্শপত্রে দেখা যায়, জন্মের পর থেকেই শিশুটি জন্ডিস, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিল। তা ছাড়া, নির্দিষ্ট সময়ের এক মাস আগে শিশুটির জন্ম হয়। ওজনও অনেক কম ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি প্রতিবন্ধী ছিল। যে কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে— বলেন মির্জা সালাহ।

Comments