কুমার নদের ভাঙনে ধসে গেছে ১৩ ঘর, অপরিকল্পিত নদী খননের অভিযোগ

ফরিদপুরের কুমার নদের ভাঙনে আটটি পরিবারের বসত ঘরসহ ১৩টি ঘর ধসে গেছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে ফরিদপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিলক্ষ্মীপুর মহল্লায়।
কুমার নদের ভাঙনে ধসে গেছে ১৩টি ঘর। ছবি: স্টার

ফরিদপুরের কুমার নদের ভাঙনে আটটি পরিবারের বসত ঘরসহ ১৩টি ঘর ধসে গেছে। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে ফরিদপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিলক্ষ্মীপুর মহল্লায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুমান নদ খনন করে। অপরিকল্পিভাবে নদের পাড় ঘেষে খনন কাজ করায় তাদের ঘর ধসে গেছে।  

দুপুরের দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কুমার নদের দক্ষিণ পাড়ের কয়েকটি ঘর ১৫ থেকে ২০ ফুট নিচে ধসে গেছে। তিনটি ঘর নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও কয়েকটি ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন খোলা আকাশের নিচে দিন পার করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত রহিমা বেগম (৫২) জানান, ভোর রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তিনি দেখেন তার ঘর দেবে যাচ্ছে। তখন এলাকার লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে।

গৃহবধূ ফারজানা বেগম (৩০) জানান, ভোরে ঘরের টিনগুলি ছুটে যাবার শব্দে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। দ্রুত তিনি ঘর থেকে বাইরে বের হয়ে নিজেকে রক্ষা করেন।

ওই এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান বলেন, এক বছর আগে কুমার নদের ওই এলাকা খনন যন্ত্র দিয়ে খনন করেছে পাউবো। নদের মাঝে খনন না করে নদের দক্ষিণ পাশের তীর ঘেষে গভীর করে খনন কাজ করায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, আজ পাউবো কর্মকর্তা নিখিল কুমার দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই জায়গায় এক বছর আগে খনন কাজ শেষ হয়েছে। পাড়ে ফাটল ধরে কেন ঘরগুলি ধসে পড়ল তা খতিয়ে দেখা হবে। ভাঙ্গন রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় বিচার বিশ্লেষণ করে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Comments

The Daily Star  | English

Death came draped in smoke

Around 11:30pm, there were murmurs of one death. By then, the fire had been burning for over an hour.

6h ago