ওসাসুনাকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা

ফরোয়ার্ডদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ওসাসুনাকে উড়িয়ে দিলো রোনাল্ড কোমানের শিষ্যরা।
barcelona
ছবি: টুইটার

স্প্যানিশ লা লিগায় উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে যেতে থাকা বার্সেলোনা ফিরল জয়ে। ফরোয়ার্ডদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ওসাসুনাকে উড়িয়ে দিলো রোনাল্ড কোমানের শিষ্যরা।

রবিবার রাতে ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে একপেশে লড়াইয়ে ৪-০ গোলে জিতেছে কাতালানরা। দলের পক্ষে একটি করে গোল করেন মার্টিন ব্র্যাথওয়েট, আঁতোয়ান গ্রিজমান, ফিলিপ কৌতিনহো ও লিওনেল মেসি। লিগের আগের ম্যাচে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা।

পুরো ম্যাচে চালকের আসনে থাকা স্বাগতিকরা এগিয়ে যেতে পারত একাদশ মিনিটে। কৌতিনহোর শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ওসাসুনার ডিফেন্ডার উনাই গার্সিয়া। চার মিনিট পর গ্রিজমানের ভলি ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন গোলরক্ষক সার্জিও হেরেরা। ২৯তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড কৌতিনহোর শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়।

griezmann and coutinho
ছবি: টুইটার

বার্সেলোনার অপেক্ষা শেষ হয় ২৯তম মিনিটে। কৌতিনহো ও ব্র্যাথওয়েটের দুটি শট টানা ঠেকিয়ে দিয়েও গোলপোস্ট অক্ষত রাখতে পারেননি হেরেরা। আলগা বল পেয়ে ডেনমার্কের স্ট্রাইকার ব্র্যাথওয়েট দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় বল পাঠান জালে।

৪২তম মিনিটে অসাধারণ এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্রিজমান। জর্দি আলবার ক্রস ওসাসুনার রক্ষণভাগ বিপদমুক্ত করতে গেলে পেয়ে যান এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বার্সেলোনার রক্ষণে ভীতি ছড়ায় ওসাসুনা। তবে রুবেন গার্সিয়ার শট ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। ৫৭তম মিনিটে আরেক গোল হজম করে অতিথিরা। দারুণ এক আক্রমণে গোলমুখে গ্রিজমানের পাস পেয়ে অনায়াসে বল জালে পাঠান কৌতিনহো।

৬৮তম মিনিটে রবার্তো তরেসের শট টের স্টেগেনকে ফাঁকি দিলেও বাধা পায় গোলপোস্টে। তাতে ব্যবধান কমানো হয়নি সফরকারীদের। দুই মিনিট পর ওসমান দেম্বেলে আরও একবার উল্লাসে মাতিয়েছিলেন বার্সাকে। তবে তাকে বল বাড়ানো ত্রিনকাও অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় গোল।

messi
ছবি: টুইটার

৭৩তম মিনিটে ওসাসুনার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আর্জেন্টাইন তারকা মেসি। ত্রিনকাওয়ের পাসে দূরপাল্লার কোণাকুণি শটে নিশানা ভেদ করেন তিনি। গোলের পর প্রয়াত স্বদেশি কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার স্মরণে জার্সি খুলে ফেলেন মেসি।

৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের গায়ে শোভা পেতে দেখা যায় নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের জার্সি। আর্জেন্টাইন এই ক্লাবটির হয়ে এক মৌসুম খেলেছিলেন ম্যারাডোনা। মেসি নিজেও শৈশবে (১৯৯৪-২০০০) খেলেছেন নিওয়েলসের হয়ে।

এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার নবম স্থানে উঠে এসেছে বার্সা। ৯ ম্যাচে তাদের অর্জন ১৪ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ২৩। আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ ১০ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে চতুর্থ স্থানে।

Comments