এমআরসিপিতে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থানে বাংলাদেশি চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল

এ বছর এমআরসিপি পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হক জেসি। এমআরসিপিতে মোট ১০০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪৫৪। ডা. মাহমুদুল হক জেসি পেয়েছেন ৯০৬। যা এ বছরের সর্বোচ্চ।
ডা. মাহমুদুল হক জেসি

এ বছর এমআরসিপি পরীক্ষায় রেকর্ড নম্বর পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হক জেসি। এমআরসিপিতে মোট ১০০০ নম্বরের পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪৫৪। ডা. মাহমুদুল হক জেসি পেয়েছেন ৯০৬। যা এ বছরের সর্বোচ্চ।

এমআরসিপি হচ্ছে যুক্তরাজ্যের স্নাতকোত্তর মেডিকেল ডিপ্লোমা। এ পরীক্ষায় পাসের মাধ্যমে একজন চিকিৎসক যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজস অব ফিজিশিয়ান এর সদস্যপদ লাভ করেন। 

পরীক্ষায় চিকিৎসকদের দক্ষতা, জ্ঞান ও আচরণ যাচাই করা হয়। এর তিনটি অংশ—এমআরসিপি (ইউকে) পার্ট-১, এমআরসিপি (ইউকে) পার্ট-২ লিখিত এবং এমআরসিপি (ইউকে) পার্ট-২ ক্লিনিকাল।

গত বছর মে মাসে মাহমুদুল প্রথম পার্ট পরীক্ষায় অংশ নেন। দ্বিতীয় পার্ট পরীক্ষা হয় চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর। ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশিত হয়।

বর্তমানে মাহমুদুল শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি কখনই ভাবিনি যে আমি সর্বোচ্চ নম্বর পাবো। তবে, মনে হয়েছিল যে পরীক্ষায় আমি প্রশ্নের উত্তরগুলো ভালই দিয়েছিলাম।’

নিজের অসাধারণ সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি জিনিয়াস না। তবে, অনেক পড়াশোনা করেছি। মেডিকেলের দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই আমার মূল বইগুলো পড়ার অভ্যাস ছিল। আগের পরীক্ষায় এগুলো কাজ না দিলেও, এবার সেই অভ্যাসটিই আমাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।’

পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে কনিষ্ঠ মাহমুদুলের গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে।

২০০৭ সালে এইচএসসি পাসের পর, ২০০৮ সালে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় তিনি ৫৬তম স্থান অর্জন করেছিলেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে আগ্রহ থেকে তিনি পরের বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। 

তিনি বলেন, ‘আমার বাবার বয়স প্রায় ৭৫। তিনি তার এক সন্তানকে চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। এছাড়া, চিকিৎসা পেশায় আমার নিজেরও আগ্রহ ছিল। তাই আমি পরের বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেই।’

শরীয়তপুর জেলার সিভিল সার্জন ডা. আবদুল্লাহ-আল-মুরাদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি বড় অর্জন। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। ডা. মাহমুদকে আমরা বইয়ের পোকা হিসেবেই জানতাম।’

Comments

The Daily Star  | English

Death came draped in smoke

Around 11:30pm, there were murmurs of one death. By then, the fire had been burning for over an hour.

5h ago