সমালোচনার মুখে বন্ধ ‘হৃদযন্ত্র সুরক্ষা’ রাখার সৌরভের বিজ্ঞাপন

সৌরভ নিজেই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে এই বিজ্ঞাপন।

‘এই তেল আপনার হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়’, টেলিভিশনের পর্দায় সৌরভ গাঙ্গুলি একটি ভোজ্য তেলের বিজ্ঞাপনে হাজির হয়ে বলতেন এসব কথা। কিন্তু সৌরভ নিজেই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে এই বিজ্ঞাপন।

বিপাকে পড়ে ভারতের ফরচুন কোম্পানি সব মাধ্যম থেকে তাদের এই বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে।

ভারতের সাবেক অধিনায়ক হিসেবে সৌরভ বরাবরই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবেও বেড়েছে তার জৌলুস। বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে সৌরভকে তাই দেখা যায় নিয়মিত। এই ভোজ্যতেল প্রস্ততকারক কোম্পানিটিও তাদের পণ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করেছিল সৌরভ।

বিপত্তি বাধল সৌরভ অসুস্থ হওয়ায়। এবং সেই অসুখটা হৃদযন্ত্রেই হওয়ায়। এই তারকা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পর পরই  সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তেলের বিজ্ঞাপন নিয়ে শুরু হয় ট্রল। সাধারণ মানুষ বলতে থাকেন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রচার করছে তারা। এই তেল খেলে হৃদযন্ত্র যদি সুরক্ষাই থাকবে তাহলে সৌরভ কেন অসুস্থ হলেন।

তবে বিজ্ঞাপনে অংশ নিলেও সৌরভ এই তেল খান কিনা তা জানা যায়নি।

কোম্পানিটির একজন কর্মকর্তা কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারকে জানান বিজ্ঞাপন বন্ধ করলেও সৌরভের সঙ্গে চুক্তি রাখবেন তারা,  ‘আমরা সৌরভের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই। তিনিই আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর থাকবেন। সাময়িক পরিস্থিতিতে আমরা টিভির বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন বন্ধ করছি। উনি সুস্থ হলে আলাপ করে পরে কি করা যায় ঠিক করব।’

তিনি আরও জানান, তারা ঔষধ হিসেবে বিজ্ঞাপন প্রচার করছিলেন না,  ‘আমরা বলতে চাই এই তেল কোন ঔষধ নয়। এটি রান্নার তেল। হৃদরোগের আরও কারণ থাকতে পারে।’

গত শনিবার নিজ বাড়িতে শরীরচর্চা করার সময় আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন ৪৮ বছর বয়েসী সৌরভ। জরুরি ভিত্তিতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরীক্ষায় দেখা যায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তার হার্টে তিনটি ‘ব্লকেজ’ আছে। পরে সেখানে স্টেন্ট বসানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার  বাড়ি ফিরবেন।

 

Comments

The Daily Star  | English

Confiscate ex-IGP Benazir’s 119 more properties: court

A Dhaka court today ordered the authorities concerned to confiscate assets which former IGP Benazir Ahmed and his family members bought through 119 deeds

20m ago