শীর্ষ খবর

উত্তরা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী একটি চক্রের চার বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ২৮টি পাসপোর্ট, বিভিন্ন দূতাবাস, ব্যাংক ও এজেন্সির ১৯টি সিল মোহর এবং কম্বোডিয়ার ১০টি জাল ভিসা উদ্ধার করা হয়েছে।
Human_Trafficking_7Jan21.jpg
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী একটি চক্রের চার বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী একটি চক্রের চার বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ২৮টি পাসপোর্ট, বিভিন্ন দূতাবাস, ব্যাংক ও এজেন্সির ১৯টি সিল মোহর এবং কম্বোডিয়ার ১০টি জাল ভিসা উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) শেখ ওমর ফারুক এ তথ্য জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. হাবিবুর রহমান (৫১), মামুনুর রশিদ মামুন (৪১), মো. জামাল হোসেন (৪০) ও নাহিদুল ইসলাম পলাশ।

ওমর ফারুক বলেন, গতকাল আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী একটি চক্রের চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই চক্রটি বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপে সক্রিয়। দীর্ঘ দিন থেকে চক্রটি প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পূর্ব থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৬, ৭, ৮(২) এবং ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশের ১১(১) ও (গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ০৯।

তিনি আরও বলেন, মাল্টা, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি এবং মিশর, মালদ্বীপ ও কম্বোডিয়ায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে লোক সংগ্রহ করতো এই চক্রটি। প্রথমে তাদের ভ্রমণ ভিসায় স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হতো। এরপর ভুয়া ভিসা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হতো। কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো। টাকা আদায় শেষে ভারতের দালাল তাদের শ্রীলংকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করতো। সেখানে তাদের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হতো।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago