স্মিথের সমর্থনে নিজের মুদ্রাদোষের স্মৃতি টানলেন ল্যাঙ্গার

সিডনি টেস্টের বিরতির সময় রিশভ পান্তের ব্যাটিং গার্ড পা দিয়ে ঘষে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে স্টিভ স্মিথের বিপক্ষে।
Justin Langer
ফাইল ছবি: এএফপি

সিডনি টেস্টের বিরতির সময় রিশভ পান্তের ব্যাটিং গার্ড পা দিয়ে ঘষে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে স্টিভ স্মিথের বিপক্ষে। কিন্তু এটা তিনি কোনো খারাপ মতলব থেকে নয়, বরং মুদ্রাদোষের কারণেই করেছিলেন বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার। শিষ্যের সমর্থনে নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের একটি মুদ্রাদোষের স্মৃতিও হাতড়ে বের করলেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া-ভারতের রোমাঞ্চকর তৃতীয় টেস্টের পঞ্চম দিন পানি পানের এক বিরতির ফাঁকে ফিল্ডিংয়ে থাকা স্মিথ আচমকাই ক্রিজে এসে পা দিয়ে ঘষে গার্ড নেন। শ্যাডো ব্যাটিংও করতে দেখা যায় তাকে।

স্টাম্প ক্যামেরায় ধরা পড়া এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বীরেন্দর শেবাগসহ ভারতীয় সাবেকরা প্রশ্ন তোলেন, স্মিথ ইচ্ছে করে পান্তের গার্ড নষ্ট করেছেন। এই ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক টিম পেইন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, অভ্যাসবশত স্মিথ প্রায় প্রতি ম্যাচেই পাঁচ-ছয়বার এমন করে থাকেন। 

ল্যাঙ্গারও কোথা বললেন একই সুরে, ‘স্মিথ সম্ভবত প্রতি ম্যাচেই এমন করে। কেউ একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ভিডিও) ছড়িয়ে দিয়ে মজা পেতে চেয়েছে।’

নব্বইয়ের দশকে অজি দলের নিয়মিত সদস্য ল্যাঙ্গার তুলে আনলেন নিজের একটি মুদ্রাদোষের কথা। ফিল্ডিংয়ে হাঁটার সময় তিনি স্টাম্পের কাছে এসে হাত দিয়ে অকারণে বেল ফেলে দিতেন, ‘আমি স্মিথের সঙ্গে সেদিন কথা বলছিলাম। আমি ১০ বছর বয়স থেকেই ফিল্ডিংয়ে হাঁটার সময় হাত দিয়ে বেল ফেলে দিতাম। এই কাজ আমার রুটিনের মতো হয়ে গিয়েছিল। আমি কয়েক বছর আগে সাক্ষাৎকারেও এটা বলেছিলাম। শ্রীলঙ্কা সফরে একবার চরম বিতর্কও হয়েছিল এটা। খুব নিরীহ একটা মুদ্রাদোষ আসলে।’

শ্রীলঙ্কা সফরে একবার ল্যাঙ্গারের এমন কাণ্ডে কয়েক মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। ল্যাঙ্গার জানান, নিতান্ত মুদ্রাদোষ হলেও তা থেকে সরে আসা জরুরী। তার আশা, স্মিথ পরের ম্যাচ থেকেই তা করবেন, ‘আমি নিশ্চিত স্মিথ এখন আরও সতর্ক হবে। তার জন্য এটা অনেকটা রুটিনের মতো হয়ে গেছে, ব্যাটিং নিয়ে দিবাস্বপ্নের ভেতর থাকে। স্মিথ সম্ভবত পরেরবার এটা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবে। আমিও সম্ভবত একটা বিতর্কের পর আর বেল স্পর্শ করিনি। স্মিথও আশা করি এটা থেকে সরে আসবে।’

এদিকে সিডনিতে তিনটি ক্যাচ ছাড়ায় অজি অধিনায়ক পেইনের পারফরম্যান্স নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ল্যাঙ্গার খারাপ সময় পুরো সমর্থন নিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, ‘টিম পেইনের প্রতি আমার কতটা বিশ্বাস-ভরসা আছে আপনাদের ধারণা নেই।’

‘কোনো সন্দেহ নেই সেদিনটা তার জন্য ভালো দিন ছিল না। কিন্তু তিন বছর ধরে সে একটা চুলও নড়তে দেয়নি। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিসেবে সে অসাধারণ। তার সেটা হতাশাজনক দিন ছিল।’

‘আপনি যখন আপনার মানটা চূড়ায় তুলবেন, তখন তার থেকে একটু খারাপ হলেও সমালোচনা সইতে হবে। টিম পেইনের প্রতি আমার একশো ভাগ সমর্থন আছে।’

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

17h ago