উত্তর কোরিয়ার নতুন ধরনের শক্তিশালী মিসাইল প্রদর্শন

সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন ধরনের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
North_Korea_15Jan21.jpg
ছবি: কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি

সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন ধরনের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

কেসিএনএ’র বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পিয়ংইয়ংয়ে একটি প্যারেডে ট্যাঙ্ক, রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়।

কিম জং উন নিজেই ওই প্যারেডের তত্ত্বাবধায়ন করেছেন। পিয়ংইয়াংয়ের ইল সাং স্কোয়ারের ওই প্যারেড গ্রাউন্ডে তাকে চামড়ার কোট ও পশমের টুপি পরা অবস্থায় দেখা যায়। কেসিএনএ-এ প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওই প্যারেডে কমপক্ষে চারটি সাদা-কালো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।

বিশ্লেষকরা জানান, এ ধরনের কোনো অস্ত্র আগে দেখা যায়নি। সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন ধরনের এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এসএলবিএম) উত্তর কোরিয়ায় ‘পুকগুকসং’ নামে ডাকা হয়।

উত্তর কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ অঙ্কিত পান্ডা এক টুইটে বলেন, ‘নতুন বছর, নতুন পুকগুকসং’। কোরিয়ান নিউজ এজেন্সি জানায়, ‘একের পর এক বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র স্কোয়ারে ঢোকে, যা বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি প্রদর্শন করে।’

গত বছর অক্টোবরে প্যারেডে যে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল বা আইসিবিএম দেখানো হয়েছিল, সেটা এবারের প্যারেডে ছিল না। ওই বিশাল অস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় একটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম বলে ধারণা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিষেকের কয়েকদিন আগেই এই প্যারেডটি হলো।

কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেন দেশটির নেতা কিম জং উন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে যে-ই ক্ষমতায় আসুক না কেন, পিয়ংইয়ং-এর প্রতি ওয়াশিংটনের নীতির কোনো পরিবর্তন হবে— এমনটা তিনি প্রত্যাশাও করেন না।’

সে সময় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগার ও সামরিক শক্তি বাড়ানোর বিষয়টিও জানিয়েছিলেন কিম।

Comments

The Daily Star  | English

'Why did they kill my father?'

Slain MP’s daughter demands justice, fair investigation

1h ago