চীনেও করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে

গত ১০ মাসে চীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আজ শুক্রবার দেশটির সরকারি তথ্যে এ কথা জানা গেছে।
নতুন করে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় হুবেই প্রদেশের উহান শহরের একটি স্কুল থেকে বাচ্চাদের বাসায় নিয়ে আসা হচ্ছে। ১৫ জানুয়ারি ২০২১। ছবি: রয়টার্স

গত ১০ মাসে চীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আজ শুক্রবার দেশটির সরকারি তথ্যে এ কথা জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে— চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন এক বার্তায় বলেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটিতে ১৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ১ মার্চ ২০২ জনের করোনা শনাক্তের পর এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা।

এর একদিন আগে তথা গত বুধবার ১৩৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য কমিশন বার্তায় আরও বলা হয়েছে, নতুন আক্রান্তের মধ্যে ৯০ জন হুবেই প্রদেশের। এছাড়াও, উত্তরপূর্ব হেইলংজিয়াং প্রদেশে ৪৩ জন এবং গুয়াংশি ও শানশি প্রদেশে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেইলংজিয়াং প্রদেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় সেখানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের শুরুতে চীনে করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়ার সময় রোগীর সংখ্যা হিসেবে গতকালকের সংখ্যাটি কম মনে হলেও এ নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার। কেননা, আগামী মাসে চীনে নববর্ষের ছুটিতে প্রায় ৩০ কোটি মানুষের ট্রেনে চলাচল করার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভ্রমণে নিরুৎসাহ

করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে বিদেশ থেকে আগত সব ভ্রমণকারীকে চীনে ঢোকার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সনদ দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও, দেশটির কর্তৃপক্ষ নববর্ষের ছুটিতে সবাইকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেছে।

হেইলংজিয়াং প্রদেশের অধিবাসীদের ঘরে থাকার ও জন সমাবেশ এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে।

আজ চায়না ডেইলি’র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকার ছুটির দিনগুলোতে জনগণকে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার যে অনুরোধ করেছে তা মেনে চলা প্রয়োজন।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এর মাধ্যমে আমরা শুধু আমাদের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে রাখতে পারব না, এর মাধ্যমে আমরা অন্যদেরকেও নিরাপদে রাখতে পারব।’

Comments

The Daily Star  | English
Road crash deaths during Eid rush 21.1% lower than last year

Road Safety: Maladies every step of the way

The entire road transport sector has long been plagued by multifaceted problems, which are worsening every day amid sheer apathy from the authorities responsible for ensuring road safety.

4h ago