যখন রোনালদো গোল করে না, তখনও সে গুরুত্বপূর্ণ: পিরলো

টানা তিন ম্যাচে গোল নেই। একে আর যা-ই হোক, ফর্মহীনতা বলা যায় না। কিন্তু নামটা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো বলেই খোরাক জোটে আলোচনার।
ronaldo sampdoria
ছবি: টুইটার

টানা তিন ম্যাচে গোল নেই। একে আর যা-ই হোক, ফর্মহীনতা বলা যায় না। কিন্তু নামটা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো বলেই খোরাক জোটে আলোচনার। তবে জুভেন্টাস কোচ আন্দ্রেয়া পিরলো শিষ্যের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন, সবসময়ই পর্তুগিজ তারকাকে গোল করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

শনিবার রাতে ইতালিয়ান সিরি আর ম্যাচে সাম্পদোরিয়ার মাঠে ২-০ গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। প্রথমার্ধের শুরুর দিকে ফেদেরিকো চিয়েসার গোলে আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে যাওয়ার পর একেবারে শেষ সময়ে ব্যবধান বাড়ান অ্যারন রামজি।

প্রত্যাশিত জয়ে লিগের পয়েন্ট তালিকার তিনে উঠে এসেছে তুরিনের বুড়িরা। ১৯ ম্যাচে তাদের অর্জন ৩৯ পয়েন্ট। ২০ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে এসি মিলান। তাদের শহর প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টার মিলান সমান ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুইয়ে।

গোল না পেলেও সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে গোটা ম্যাচের পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন রোনালদো। দলের দুটি গোলেই রক্ষণচেরা পাস দিয়ে তিনি রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাছাড়া, প্রথমার্ধের শেষদিকে তিনি নিজেও দুটি সুযোগ পান। ৩৮তম মিনিটে তার দূরপাল্লার শট ক্রসবারের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়। দুই মিনিট পর দুরূহ কোণ থেকে শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর স্তুতিতে পিরলো বলেছেন, ‘রোনালদো খুব ভালো খেলেছে। খেলার প্রথম গোলে মোরাতার অ্যাসিস্টের আগে সে দারুণ একটি পাস দিয়েছে। সে আমাদের জন্য সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। যখন সে গোল করতে ব্যর্থ হয়, তখনও। একটু-আধটু ক্লান্ত থাকাটা খুবই স্বাভাবিক।’

জুভেন্টাসের কোচ আরও জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস পরবর্তী ব্যস্ত সূচির কারণে প্রভাব পড়ছে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে ওপর, ‘এবার আমরা অনেক বেশি ম্যাচ খেলছি। মৌসুমের শুরু থেকে তিন দিন পরপর আমরা খেলছি। তাই প্রতি ম্যাচের ৯০ মিনিট জুড়ে আপনি সেরা ছন্দে থাকতে পারবেন না।’

উল্লেখ্য, ১৫ গোল নিয়ে সিরি আর সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে আছেন তিনি। ১৪ গোল নিয়ে তার ঠিক পেছনেই আছেন ইন্টারের রোমেলু লুকাকু। লাৎসিওর চিরো ইম্মোবিলে ১৪ ও এসি মিলানের জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ ১৩ গোল নিয়ে রয়েছেন যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago