খেলা

বার্সেলোনা ৩৬-০ এলচে

এলচের বিপক্ষে আরও একটি জয়। তারচেয়েও বড় কথা আরও একটি ক্লিনশিট। এলচের কাছে এদিনও গোল হজম করেনি বার্সেলোনা। এ নিয়ে টানা ১২ ম্যাচ তাদের বিপক্ষে নিজেদের জাল অক্ষত রাখলো কাতালান ক্লাবটি। সময়ের হিসেবে ৪৩ বছর। আর এ সময়ে তাদের জালে ৩৬টি গোল দিয়েছে বার্সেলোনা। কোনো গোল না হজম করে এতোটা পথ পারি দেওয়ার সর্বোচ্চ রেকর্ড এটাই কাতালানদের।
ছবি: সংগৃহীত

এলচের বিপক্ষে আরও একটি জয়। তারচেয়েও বড় কথা আরও একটি ক্লিনশিট। এলচের কাছে এদিনও গোল হজম করেনি বার্সেলোনা। এ নিয়ে টানা ১২ ম্যাচ তাদের বিপক্ষে নিজেদের জাল অক্ষত রাখলো কাতালান ক্লাবটি। সময়ের হিসেবে ৪৩ বছর। আর এ সময়ে তাদের জালে ৩৬টি গোল দিয়েছে বার্সেলোনা। কোনো গোল না হজম করে এতোটা পথ পারি দেওয়ার সর্বোচ্চ রেকর্ড এটাই কাতালানদের। 

অথচ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে পিএসজির কাছে দুর্বল রক্ষণভাগের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে আত্মবিশ্বাস তলানিতে ছিল বার্সেলোনার। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় নিয়মিত নিজেদের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ভুলে গোল হজম করতে হচ্ছিল দলটির। তাতে এলচের বিপক্ষে নামার আগে বিরল রেকর্ডের ইতি হওয়ার শঙ্কা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ক্লিনশিট ধরে রেখেছে দলটি।

সবমিলিয়ে ১৯ ম্যাচ ধরে এলচের বিপক্ষে অপরাজিত রয়েছে বার্সেলোনা। এরমধ্যে ১৫টি জয় ও ৪টি ম্যাচে ড্র করে দলটি। শেষবার ১৯৭৮ সালে বার্সার জালে বল জড়াতে পেরেছিল দলটি। তবে সেবারও বড় হার মানতে হয়েছিল তাদের। ৫-১ গোলে হারের ম্যাচে এলচের হয়ে গোলটি করেছিলেন মার্সেলো ত্রোবিয়ানি।  

আর এলচের বিপক্ষে সবশেষ ১৯৭৫ সালে হার দেখেছিল বার্সেলোনা। সেবার কাতালানদের ১-০ গোলে হারিয়েছিল এলচে।

গত ৪৩ বছরে এলচের জালে বার্সেলোনা গোল দিয়েছে মোট ৩৬টি। অর্থাৎ শেষ ১২ ম্যাচে ফলাফলটি হয় ৩৬-০। বুধবার রাতে লিওনেল মেসির জোড়া গোলে ৩-০ গোলের জয় পায় কাতালানরা। এর আগে কোপা দেল রের ম্যাচে ৫-০ গোলের জয় পেয়েছিল দলটি। আর লা লিগার প্রথম লেগের ম্যাচে ৪-০ গোলের জয় পেয়েছিল বার্সা।

এলচের বিপক্ষে জোড়া গোলে মেসিও নিজের চেনা ছন্দের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মৌসুমের শুরুতে সে অর্থে গোল না পাওয়া এ তারকা এখন নিয়মিত গোল পাচ্ছেন। ২০২১ সালে এখন পর্যন্ত ১৩টি গোল করেছেন তিনি। তার কাছাকাছি আছেন বায়ার্ন মিউনিখের রবার্ট লেভানদভস্কি। তিনি করেছেন ১২টি গোল। আর বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের আর্লিং হালান্ড করেছেন ১০টি গোল।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

Some government employees are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Centre has found.

7h ago