আর কখনো পদোন্নতি পাবেন না জামালপুরের সেই ডিসি

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) আহমেদ কবীরকে নিম্ন পদে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আর কখনো পদোন্নতি পাবেন না, উপসচিবই থাকবেন।
Ahmed-Kabir-1.jpg
আহমেদ কবির। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) আহমেদ কবীরকে নিম্ন পদে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আর কখনো পদোন্নতি পাবেন না, উপসচিবই থাকবেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জনপ্রশাসন একজন উপসচিব দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুদণ্ড হলে কর্মজীবনে আর পদোন্নতির সুযোগ থাকে না।

তিনি আরও বলেন, আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রস্তাবিত তিন বছরের জন্য নিম্নবেতন কাঠামোতে অবনমিতকরণ গুরুদণ্ডের দেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি সম্মতি জানিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি কোনো বকেয়া সুবিধা পাবেন না। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তার সাময়িকভাবে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বরখাস্তকাল অসাধারণ ছুটি হিসেবে বিবেচিত হবে।

২০১৯ সালের ২২ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চার মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে জামালপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। এরপরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন কবীর।

ওই বছরের ২৫ আগস্ট তাকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। ওই ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির কাছে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জবাব দিয়ে আহমেদ কবীর ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন।

তার দেওয়া লিখিত ও মৌখিক জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় পুনঃতদন্ত হয়। প্রতিবেদনে আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন

জামালপুরের সেই ডিসি বরখাস্ত

Comments

The Daily Star  | English

12th national elections: 731 of 2,716 nominations rejected

Nomination papers rejected mainly for three reasons, says EC joint secretary

41m ago