আন্তর্জাতিক

কৃষক বিদ্রোহ: ২৪ ঘণ্টার জন্য হরিয়ানার কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ

ভারতের বিতর্কিত তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করতে আজ শনিবার হরিয়ানার কিছু স্থানে কুণ্ডলি-মানেসার-পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়ে (কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে) অবরোধ করেছেন কৃষকরা।
কুণ্ডলি-মানেসার-পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়ে (কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে) অবরোধ করেছেন কৃষকরা। ছবি: পিটিআইয়ের সৌজন্যে

ভারতের বিতর্কিত তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করতে আজ শনিবার হরিয়ানার কিছু স্থানে কুণ্ডলি-মানেসার-পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়ে (কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে) অবরোধ করেছেন কৃষকরা।

সকাল ৮টায় তাদের অবরোধ শুরু হয় এবং ২৪ ঘণ্টা তা চলবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

এরআগে, গতকাল কৃষি আইনের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া কৃষক ইউনিয়নগুলোর একটি সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য অবরোধের আহ্বান জানিয়েছিল।

১৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়েটি ওয়েস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ে নামেও পরিচিত।

আন্দোলনরত কৃষকরা অবশ্য জানিয়েছেন, জরুরি যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের (লাখোয়াল) সাধারণ সম্পাদক হরিন্দর সিং লাখোয়াল বলেছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে এ অবরোধ চলবে।

তবে, হরিয়ানা পুলিশ একটি ট্রাফিক আদেশ জারি করেছে। ওই আদেশে ভ্রমণকারীদের কেএমপি এক্সপ্রেসওয়ে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিচালক (আইনশৃঙ্খলা) নবদীপ সিং ভির্ক শুক্রবার বলেছিলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, যে কোনো ধরনের সহিংসতা রোধ করতে এবং এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল ও গণপরিবহনের সুবিধার্থে ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পাশ করা বিতর্কিত তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির তিনটি সীমান্ত পয়েন্টে ক্যাম্প করছেন শত শত কৃষক। যাদের বেশিরভাগই পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।

কেন্দ্রের দাবি, নতুন কৃষি আইন কৃষকদের মধ্যস্থতাকারীদের হাত থেকে মুক্তি দেব। তাদের ফসল বিক্রির আরও বিকল্প তৈরি হবে।

তবে, আন্দোলরত কৃষকদের দাবি, এই আইন ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) ব্যবস্থাকে দুর্বল করবে এবং বড় বড় করপোরেটদের ওপর নির্ভর করতে হবে।

আরও পড়ুন:

Comments

The Daily Star  | English

Two Bangladeshi fishermen injured in BGP firing in Teknaf

At a time when Bangladesh is providing shelter to members of Myanmar Border Guard Police (BGP) fleeing the conflict in their country, the force opened fire on a Bangladeshi fishing boat in Naf river of Teknaf upazila in Cox’s Bazar, leaving two fishermen injured

9m ago