উখিয়ায় ইয়াবা ও জাল টাকাসহ এপিবিএনের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে ইয়াবা ও জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতাল বৃহস্পতিবার এপিবিএনের একটি দল ওই তিন সদস্যের কক্ষে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও জাল টাকাসহ তাদের গ্রেপ্তার করে।
স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে ইয়াবা ও জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতাল বৃহস্পতিবার এপিবিএনের একটি দল ওই তিন সদস্যের কক্ষে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও জাল টাকাসহ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- এসআই মোহাম্মদ সোহাগ, কনস্টেবল মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন ও মোহাম্মদ মিরাজ।

কক্সবাজার এপিবিএন-৮-এর অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) শিহাব কায়সার খান দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তিন এপিবিএন সদস্যের বিরুদ্ধে ইয়াবা সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

শিহাব কায়সার খান বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসআই সোহাগ বেশ কিছুদিন ধরে উখিয়ার তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-ব্লকের হেড মাঝি (রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা) মোহাম্মদ একরামকে (৩৮) ইয়াবা বিক্রির জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। একরাম এতে রাজী না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে একরাম এপিবিএনের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেন।’

গ্রেপ্তার তিন সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এপিবিএন অধিনায়ক।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর মোর্শেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘রাতেই এপিবিএনের তিন সদস্যকে ইয়াবা ও জাল টাকাসহ গ্রেপ্তারের পর উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তার তিন এপিবিএন সদস্যকে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

3h ago