জৈব-সুরক্ষা বলয়ের বাইরে যা ঘটছে তা ভয়াবহ, বললেন মরগ্যান

ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হচ্ছে। অক্সিজেন নিয়ে দেশটিতে চলছে আক্রান্তদের হাহাকার।
eoin morgan
ছবি: টুইটার থেকে সংগৃহীত

চলতি মাসে ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। আক্রান্তের দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে এবং মৃত্যুর দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে দেশটি। এই ভয়াবহতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ওয়েন মরগ্যান সবাইকে সতর্ক থাকতে আহ্বান করেছেন।

ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হচ্ছে। অক্সিজেন নিয়ে দেশটিতে চলছে আক্রান্তদের হাহাকার। এর মধ্যেই চলছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা আইপিএল। খেলোয়াড়, স্টাফসহ সংশ্লিষ্টরা আছেন জৈব-সুরক্ষা বলয়ের ভেতরে।

সোমবার পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে জয়ের পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক মরগ্যান বলেছেন, ‘এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অনেক কিছু সামলে চলতে হচ্ছে। জৈব-সুরক্ষা বলয়ের বাইরে যা ঘটছে তার ভয়াবহতা সম্পর্কে আমরা জানি। আমরা যতটুকু পারছি, সাহায্য করার চেষ্টা করছি। কেবল ভারতে নয়, বিশ্বজুড়ে এটা (করোনা) কতটা ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে তা আমরা দেখছি।’

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়ক, ‘যদি আপনি বাইরে বের হন, তাহলে নিরাপদে থাকুন, মাস্ক পরুন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আমরা অনেক কঠিন সময় দেখছি। কেকেআরের পক্ষ থেকে আমরা সবার প্রতি শুভকামনা জানাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে থেকে একে (করোনাকে) হারাতে পারি।’

মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও তিন লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মোট শনাক্ত হয়েছেন এক কোটি ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৭ জন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও দুই হাজার ৭৭১ জন। করোনায় এ পর্যন্ত ভারতে মারা গেছেন এক লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জন।

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতির মাঝে আইপিএল ছেড়ে যাচ্ছেন একের পর এক ক্রিকেটার। গত দুদিনে সরে দাঁড়িয়েছেন চার জন। তারা হলেন ভারতের রবীচন্দ্রন অশ্বিন এবং অস্ট্রেলিয়ার তিন খেলোয়াড় অ্যান্ড্রু টাই, অ্যাডাম জ্যাম্পা ও কেন রিচার্ডসন। গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের লিয়াম লিভিংস্টোনও ফিরে গেছেন নিজ দেশে।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

Some government employees are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Centre has found.

3h ago