সনকে গালি দেওয়া সেই সমর্থকদের নিষিদ্ধ করল ম্যানইউ

মাস খানেক আগের কথা। সন হিউং-মিন প্রায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার কারণে রেড ডেভিলদের একটি গোল বাতিল হয়। পড়ে তার গোলেই আবার পিছিয়ে পড়েছিল দলটি। যদিও শেষ পর্যন্ত জয় পায় ইউনাইটেডই। তবে সমর্থকরা বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে সনকে গালাগালি করেছিলেন অনেকেই। আর এ বিষয়টি সহজভাবে নেয়নি ম্যানইউ। পাঁচ সমর্থকশ ছয়জনকে তিন বছরের সেশন টিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটি।
ছবি: সংগৃহীত

মাস খানেক আগের কথা। সন হিউং-মিন প্রায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার কারণে রেড ডেভিলদের একটি গোল বাতিল হয়। পড়ে তার গোলেই আবার পিছিয়ে পড়েছিল দলটি। যদিও শেষ পর্যন্ত জয় পায় ইউনাইটেডই। তবে সমর্থকরা বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে সনকে গালাগালি করেছিলেন অনেকেই। আর এ বিষয়টি সহজভাবে নেয়নি ম্যানইউ। পাঁচ সমর্থকশ ছয়জনকে তিন বছরের সেশন টিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটি।

বহুল আলোচিত সে ম্যাচে স্পার্সের মাঠে তাদের ৩-১ গোলে হারিয়েছে ম্যানইউ। অথচ আগে গোল দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরাই। তবে এর আগে একবার লক্ষ্যভেদ করেছিলেন ম্যানইউর উরুগুইয়ান তারকা এদিসন কাভানি। কিন্তু ভিএআরে বাতিল হয় সে গোল। রিপ্লেতে দেখা যায় বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় স্কট ম্যাকটমিনির হাত হালকাভাবে সন হিউং-মিনের মুখে লাগে। সঙ্গেসঙ্গেই লুটিয়ে পড়েন সন। সব আলোচনা-সমালোচনার সূত্রপাত এ ঘটনা থেকেই।

সে ঘটনার পর ছয় জন সমর্থককে চিহ্নিত করেছিল ম্যানইউ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে তিন জন তাদের পুরো মৌসুমের টিকেটের অধিকারী ছিলেন। দুই জন তাদের অফিশিয়াল মেম্বার। অপরজন ছিলেন মৌসুমের টিকেটের অপেক্ষায় ছিলেন। এই ছয়জন আগামী তিন বছরের ইউনাইটেডের কোনো ম্যাচে মাঠে উপস্থিত হতে পারবেন না। তবে এ ঘটনার প্রতিবাদে তখনই সামাজিক মাধ্যম বয়কটের ঘোষণা দেয় তারা। ৮১ ঘণ্টা পর আবার ফিরে আসে তারা।

এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে ম্যানইউ কর্তৃপক্ষ, 'দুঃখের বিষয়, তিন মৌসুমের টিকিটধারক, দুজন অফিশিয়াল সদস্য এবং মৌসুমের টিকেটের অপেক্ষায় থাকা এক ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ক্লাবের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। বৈষম্য বিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য এ মাসের শুরুতে সি রেডের কার্যক্রম শুরু করে। সি রেড ক্লাবের কৃষ্ণাঙ্গ ও এশিয়ান খেলোয়াড়দের অবদানে  উদযাপন এবং বৈষম্যমূলক আচরণ না করার জন্য ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।'

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago