শিমুলিয়া ঘাটে কমেছে ভিড়, শৃঙ্খলা আনতে বিজিবি-পুলিশের কড়াকড়ি

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের ভিড় কমেছে। তবে এখনো তিন শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টায় এ দৃশ্য দেখা যায়। ঘাটে শৃঙ্খলা ফেরাতে শতাধিক পুলিশ ও বিজিবির সদস্য কাজ করছেন। বিশৃঙ্খলভাবে কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যাত্রীরাও শৃঙ্খলিতভাবে ফেরিতে উঠছেন।
মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের ভিড় কমেছে। ঘাটে শৃঙ্খলা ফেরাতে শতাধিক পুলিশ ও বিজিবির সদস্য কাজ করছেন। ছবিটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টায় তোলা। ছবি: স্টার

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের ভিড় কমেছে। তবে এখনো তিন শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টায় এ দৃশ্য দেখা যায়। ঘাটে শৃঙ্খলা ফেরাতে শতাধিক পুলিশ ও বিজিবির সদস্য কাজ করছেন। বিশৃঙ্খলভাবে কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যাত্রীরাও শৃঙ্খলিতভাবে ফেরিতে উঠছেন।

মাদারীপুরের বাংলাবাজার থেকে আসা যানবাহন ও মানুষ নামার পরে শিমুলিয়া ঘাটের যাত্রীদের ফেরিতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। যাত্রীদের ভিড় কম থাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় সময় কম লাগছে।

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে শৃঙ্খলা আনতে বিজিবি-পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশৃঙ্খলভাবে কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ছবিটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টায় তোলা। ছবি: স্টার

মাওয়া ট্রাফিক বিভাগের ইনস্পেকটর হিলাল উদ্দিন বলেন, ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক প্রাইভেটকার ও দেড় শ ট্রাক পারের অপেক্ষায় আছে। লাশবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগে ফেরিতে উঠতে দেওয়া হচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ (অপরাধ ও প্রশাসন) মাহফুজ আফজাল দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত সাতটি ফেরিতে শুধু যাত্রীই পার হয়েছেন। ৯টার পর থেকে যানবাহন পার করা হচ্ছে। যে কারণে এখন তেমন ভিড় নেই।

মাওয়া নৌ-পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল কবীর জানান, ট্রলার যেন চলাচল করতে না পারে সে জন্য নদীতে টহল অব্যাহত রয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Trial of murder case drags on

Even 11 years after the Rana Plaza collapse in Savar, the trial of two cases filed over the incident did not reach any verdict, causing frustration among the victims.

9h ago