আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিতে ফিল্ডিংয়ের বেহাল দশা

গত বেশ কয়েক সিরিজ থেকেই বাজে ফিল্ডিং ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। নিউজিল্যান্ডে প্রথমবার জেতার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেও ফল নিজেদের পক্ষে আনা যায়নি ফিল্ডিং ব্যর্থতায়। শ্রীলঙ্কা সফরেও দেখা গেছে এই বেহাল ছবি। এর আগে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও টেস্ট হারে ভুগিয়েছে ফিল্ডিং।
Soumya Sarkar
অনুশীলনে স্লিপে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নিচ্ছেন সৌম্য সরকার। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

উঁচুতে ক্যাচ উঠেছে। বাংলাদেশের কোন ফিল্ডার ছুটে যাচ্ছেন। কিন্তু শরীরী ভাষা বলে দিচ্ছে নেতিবাচক কিছুর আভাস। বাস্তবেও ঘটছে তেমনই। পড়ছে সহজ সব ক্যাচ। গ্রাউন্ড ফিল্ডিং হচ্ছে যাচ্ছেতাই। এই রোগের কারণ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি খুঁজে পেয়েছেন বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

গত বেশ কয়েক সিরিজ থেকেই বাজে ফিল্ডিং ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। নিউজিল্যান্ডে প্রথমবার জেতার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেও ফল নিজেদের পক্ষে আনা যায়নি ফিল্ডিং ব্যর্থতায়। শ্রীলঙ্কা সফরেও দেখা গেছে এই বেহাল ছবি। এর আগে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও টেস্ট হারে ভুগিয়েছে ফিল্ডিং।

শনিবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসে কোচ ডমিঙ্গো বললেন, এই জায়গায় আসলে কোচদের করার আছে সামান্যই, পুরো ব্যাপারটাই মনস্তাত্ত্বিক,  ‘আমার মনে হয় না কোচ হিসেবে এখানে ভিন্ন কিছু করার আছে। ফিল্ডিং পুরোটাই হচ্ছে আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার। যত বেশি কথা বলবেন, কাজটা তত কঠিন হবে। আমরা আমাদের কিছু দারুণ ফিল্ডিংয়ের দৃশ্য মনে করতে পারি, সেসব ফোকাস করতে পারি। এবং পারফরম্যান্সের ব্যাপারে ইতিবাচক থাকতে পারি। আমরা কিছু ক্যাচ নিচ্ছি, রান আউট করছি। কিন্তু সেটা ধারাবাহিকভাবে হচ্ছে না। ভুলের দিকে আমাদের বেশি তাকানো যাবে না।’

বাংলাদেশ দলে সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজদের মতো কয়েকজনের ভালো ফিল্ডার হিসেবে সুনাম আছে। আবার কয়েকজন ফিল্ডিংয়ে প্রায়ই ভোগান দলকে। ফিল্ডারদের মান হিসেব করে পজিশন ঠিক করার কথাও জানান কোচ। তবে তার মতে মূল উন্নতির জায়গাটাই হবে  আত্মবিশ্বাস ফেরানো,   ‘কেউ খুব ভালো ফিল্ডার, কেউ গড়পড়তা। ঠিক লোককে ঠিক জায়গায় দাঁড় করানো হচ্ছে আসল ব্যাপার। আত্মবিশ্বাস হচ্ছে বড় জায়গা। এই সিরিজে আমাদের মানসিকভাবে তাজা জায়গায় থাকতে হবে। আমাদের বিশ্বাস করতে হবে ফিল্ডিং দল হিসেবে আমরা ভাল এবং চাপে ভাল ফিল্ডিং করতে পারি।’

Comments

The Daily Star  | English

Cyclone Remal likely to hit Bangladesh coast by Sunday evening

Maritime ports asked to maintain local cautionary signal no one

57m ago