শিমুলিয়া ঘাটে জনদুর্ভোগ, আটকে আছে ৬ শতাধিক যানবাহন

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে ছয় শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে সাড়ে ৪০০ বেশি পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে আছে প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাস। এছাড়াও, ঘাট এলাকায় শতাধিক যাত্রী অবস্থান করছে নৌযান চালুর আশায়।
মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাট। ছবিটি তোলা হয়েছে আজ সকাল সাড়ে ১১টায়। মে ২৭ ২০২১। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে ছয় শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে সাড়ে ৪০০ বেশি পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে আছে প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাস। এছাড়াও, ঘাট এলাকায় শতাধিক যাত্রী অবস্থান করছে নৌযান চালুর আশায়। 

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় শিমুলিয়া ঘাটে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

বৈরি আবহাওয়ার কারণে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ আছে। আবহাওয়া এখনো নৌযান চলাচলের অনুকূলে আসেনি।

সকাল থেকে যাত্রীদেরকে এ নৌপথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে ঘাট ত্যাগ করতে বলছে বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর মোঃ হাফিজুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে নৌযান বন্ধের সংবাদ জেনেও অনেক মানুষ ঘাটে আসছেন। ছয় শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় আছে। ফেরি বন্ধের কারণে পার হতে পারছে না।’

‘সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে এ ঘাট ব্যবহার না করে ফিরে যাওয়ার জন্য। অনেকে ফিরেও যাচ্ছেন,’ যোগ করেন তিনি।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. ফয়সাল আহমেদ ডেইলি স্টারকে বলেছেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল পদ্মা এখনো শান্ত হয়নি। ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে ও বড় বড় ঢেউ আছে। এমন পরিস্থিতিতে ফেরি চলাচল সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া, গতকাল প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে দুই নম্বর ফেরিঘাটের পল্টুনের একটি অংশ ভেঙে গিয়েছে। এটি এখনো মেরামত করা সম্ভব হয়নি।’

Comments