জিতলে আপনি নায়ক, হারলে ব্যর্থ: ডি ব্রুইন

ম্যান সিটি এবারই প্রথম উঠেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। তাদের সামনে রয়েছে ২৩তম ক্লাব হিসেবে ইউরোপের সেরা হওয়ার হাতছানি।
de bryune
ছবি: টুইটার

চলতি মৌসুমটা নিঃসন্দেহে দারুণ কেটেছে ম্যানচেস্টার সিটির। ইতোমধ্যে তারা ঘরে তুলেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও লিগ কাপের শিরোপা। তবে দলটির বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন মনে করেন, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে না পারলে তাদেরকে ব্যর্থ হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে চেলসিকে মোকাবিলা করবে ম্যান সিটি। পোর্তোতে ‘অল ইংলিশ’ ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায়।

২০০৮ সালে নতুন মালিকানায় যাওয়ার পর থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ খরচ করছে ম্যান সিটি। তারকা খেলোয়াড় ও তারকা কোচ এনে ঘরোয়া আসরগুলোতে অনেক সাফল্য পেলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা এখনও তাদের অধরাই আছে। তবে পেপ গার্দিওলার অধীনে স্বপ্ন পূরণের খুব কাছে পৌঁছে গেছে তারা।

ম্যান সিটি এবারই প্রথম উঠেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। তাদের সামনে রয়েছে ২৩তম ক্লাব হিসেবে ইউরোপের সেরা হওয়ার হাতছানি। আসরে এখন পর্যন্ত খেলা ১২ ম্যাচের ১১টিতেই জিতেছে তারা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক মৌসুমে এতগুলো ম্যাচ জেতার রেকর্ড নেই ইংল্যান্ডের আর কোনো দলের। বাকিটি তারা করেছে ড্র।

ফাইনালের আগের দিন সময়ের অন্যতম সেরা তারকা ডি ব্রুইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেওয়ার সুযোগ যেমন তাদের রয়েছে, তেমনি রয়েছে কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা, ‘আগামীকালের (শনিবার) ম্যাচের বিশালত্ব সম্পর্কে আমরা খেলোয়াড়রা জানি। যদি আপনি জেতেন, তাহলে আপনি হবেন নায়ক। আর যদি হারেন, তাহলে আপনি একেবারে ব্যর্থ।’

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৭ ম্যাচে ৪ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেছেন ডি ব্রুইন। ফাইনালের চাপ জয় করে সেরাটা নিংড়ে দেওয়ার প্রত্যাশা তার, ‘প্রত্যেকে চাপ অনুভব করছে। তবে আমাদের এই ম্যাচটি উপভোগ করা উচিত। এটাকে এমন কিছু হিসেবে নেওয়া উচিত যেখানে আপনি পারফর্ম করতে এবং নিজের সেরাটা দেখাতে চান।’

শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে জায়গা করে নেওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে তিনি জানান, ‘অবশ্যই এই ম্যাচটিতে জায়গা করে নেওয়া ক্লাবের ও খেলোয়াড়দের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। বিশ্বের সর্বোচ্চ মঞ্চে পৌঁছে যাওয়া নিঃসন্দেহে একটি দারুণ ব্যাপার।’

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew that left deep wounds in almost all corners of the economy.

7h ago