প্রাকৃতিক বন ধ্বংসের প্রতিবাদে মধুপুরে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রাকৃতিক বন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি, স্থাপনা ধ্বংস করে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন ও বাগানের নামে প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যান্য স্থাপনা তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় গারো সম্প্রদায়।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে মানববন্ধন করে স্থানীয় গারো সম্প্রদায়। ছবি: স্টার

টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রাকৃতিক বন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি, স্থাপনা ধ্বংস করে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন ও বাগানের নামে প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যান্য স্থাপনা তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় গারো সম্প্রদায়।

আজ রবিবার উপজেলার টেলকী এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনশিংহ মহাসড়কের পাশে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত আদিবাসী ছাত্র জনতার ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জন জেত্রার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, আদিবাসী যুব ফোরামের সভাপতি অনন্ত ধামাইসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, মধুপুরের টেলকী গ্রামে আদিবাসীদের ভূমি ও প্রাচীন কবরস্থানে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নের নামে প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করে আরবোরেটাম বাগান, রেস্ট হাউজ নির্মাণ এবং প্রাচীর নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন করে তা প্রতিহত করা হবে।

মানববন্ধন শেষে মিছিল বের করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল বন বিভাগের অতিরিক্ত বন সংরক্ষক (উত্তর) জামাল হোসেন তালুকদার দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, মধুপুর গড়ের বনাঞ্চলে গাছ পরিচিতি, উদ্ভিদবিদ্যা অনুশীলন, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বছর আগে টেলকিতে প্রায় ৩ হেক্টর জায়গায় আরবোরেটাম গড়ে তোলা হয়েছে। তখন স্থানীয়রা কোনো আপত্তি জানাননি। এখন সেখানে দেয়াল এবং স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলছে এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারাই কাজটি উদ্বোধন করেছেন। 

তিনি আরো বলেন, এখন যারা এর বিরোধিতা করে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল বনের জায়গা জবরদখল করা।

Comments

The Daily Star  | English
fire incident in dhaka bailey road

Fire Safety in High-Rise: Owners exploit legal loopholes

Many building owners do not comply with fire safety regulations, taking advantage of conflicting legal definitions of high-rise buildings, according to urban experts.

12h ago