বাজেটে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি, বাস্তবায়ন কঠিন

আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতবারের বাজেটের মতো এবারও মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে উচ্চ বরাদ্দ, দরিদ্রদের বাঁচানো, ব্যবসা টিকিয়ে রাখা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কৌশলের ওপরই জোর দিয়েছেন তিনি।

আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতবারের বাজেটের মতো এবারও মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে উচ্চ বরাদ্দ, দরিদ্রদের বাঁচানো, ব্যবসা টিকিয়ে রাখা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কৌশলের ওপরই জোর দিয়েছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে তার তৃতীয় বাজেট উত্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি আমাদের জনগণ। তাই এ বছরের বাজেটে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ছয় লাখ তিন হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট বাংলাদেশের জিডিপির ১৭ দশমিক পাঁচ শতাংশ, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের সমান।

কিন্তু, কঠিন সত্য এই যে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে সরকার রাজস্ব আদায় ও উন্নয়ন পরিকল্পনা কার্যকর করতে পারেনি। যদিও ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে আরও অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন ছিল।

বাজেটে করোনা মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এটি প্রত্যাশিতই ছিল। তবে, কৃষিকে অগ্রাধিকারের তালিকার তৃতীয় স্থানে ঠেলে দিয়ে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে প্রণোদনা প্যাকেজ অব্যাহত রাখার বিষয়টি। যদিও, ধীরগতির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার কারণে এসব প্যাকেজ এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

চলতি অর্থবছরে তৃতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার খাত ছিল সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণ। নতুন বাজেটে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে এটিকে মানব সম্পদ উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পেছনে রাখা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়ে বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা গেছে। তবে, এসব খাতে বরাদ্দ বাড়লেও সমস্যা হচ্ছে বর্তমান বাজেটের মতোই বাস্তবায়নের ধীরগতি।

নতুন বাজেটে করপোরেশন ও শিল্প কারখানাগুলোকে কর ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হবে। ফাস্ট ট্র্যাক ও অগ্রাধিকার প্রকল্পে তহবিল বরাদ্দ হয়েছে। এ ছাড়া, করপোরেট কর কমছে, ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা বাড়বে এবং ন্যূনতম ও অগ্রিম শুল্ক হ্রাস করা হবে। কাঁচামাল আমদানির ওপরও শুল্ক হ্রাস করা হবে। সব মিলিয়ে ব্যবসা বান্ধব বাজেট হচ্ছে এটি।

এ বাজেটের আরেকটি ভালো দিক হচ্ছে, এতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়নি।

এ ছাড়া, করপোরেট কর দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ হারে কমিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য ৩০ শতাংশ ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির জন্য কর ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

করপোরেট করে ছাড় দেওয়া হলেও, গতকালই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল সূচক বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল মধ্যপন্থা অবলম্বন করছেন বলে মনে হচ্ছে।

তিনি ‘জীবন ও জীবিকার প্রাধান্য, আগামীর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বাজেট উপস্থাপন করেন এবং গত বছর কী কী করা হয়েছে তা তুলে ধরেন। কিন্তু, পরবর্তী অর্থবছরে কী কী করা হবে, তা তার বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।

একদিকে, গত অর্থবছরের এপ্রিলে লকডাউন দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়েছে এবং দারিদ্র্যের হার দ্বিগুণ হয়েছে। সরকারি সহায়তা যাদের সবচেয়ে বেশি দরকার, তারা পায়নি।

অন্যদিকে, বিধি-নিষেধ শিথিল হয়ে যাওয়ায় এ বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১০০ ছাড়িয়ে গেছে এবং দেশের দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ফলে সরকারকে বাধ্য হয়ে কঠোর লকডাউনের দিকে যেতে হয়েছে।

দেখা যাচ্ছে, দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন বা সব বিধি-নিষেধ পুরোপুরিভাবে তুলে নেওয়া— কোনোটিই আশা করা ঠিক হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে তিন হাজার কোটি টাকা। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মতো এ খাতে সামগ্রিক বরাদ্দ এখনো জিডিপির এক শতাংশেরও কম।

চলমান স্বাস্থ্য সংকটের কথা মাথায় রেখে সরকারের কাছে এ খাতে আরও বেশি বরাদ্দের দাবি ছিল। তবে, এ খাতে উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন হতাশাজনক হওয়ায় সরকার আরও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে।

স্বাস্থ্য খাত ও টিকাদান কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল আগামী অর্থবছরেও অব্যাহত থাকবে। বিদায়ী অর্থবছরে এ তহবিলের মাত্র সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা সম্ভব হবে।

বাজেট ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির ছয় দশমিক দুই শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সরকারকে ব্যয়ের জন্য আরও তহবিলের যোগান দেবে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক খাত থেকে ঋণ নিয়ে এ ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হবে।

ব্যাংক এবং সঞ্চয়ী হিসাব বিক্রির মতো দেশীয় উত্স থেকে তহবিল সংগ্রহ করা সহজ। তবে, এর ব্যয়ভার অনেক বেশি।

উন্নয়ন অংশীদারদের থেকে সহজে তহবিল পাওয়া গেলেও, সেগুলোর ব্যয় ও প্রকল্পে তা কাজে লাগাতে আরও দক্ষতার প্রয়োজন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অথচ সরকারি ব্যয়ের ৮৫ শতাংশই আসে রাজস্ব ব্যয় থেকে।

এ ছাড়া, সামাজিক সুরক্ষার আওতা বৃদ্ধি পেলেও, সুষ্ঠুভাবে এগুলোর বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ সুবিধার প্রায় অর্ধেকই পায় দরিদ্র নয় এমন লোকেরা। নতুন দরিদ্ররা কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত না। আর পুরনো দরিদ্রদের তালিকা ত্রুটিপূর্ণ।

নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা ও নগদ আর্থিক সুবিধা দিতে এবং তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে প্রাথমিকভাবে সাত হাজার ৩০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে।

বন্যা, ঝড় ও সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার দিনমজুর, কৃষক, গৃহকর্মীদের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার আরেকটি তহবিল গঠন করা হয়েছে।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের বাজেটে তিন লাখ ৭৮ হাজার টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার প্রস্তাব করা হয়েছিল। পরে তা সংশোধন করে তিন লাখ এক হাজার কোটি টাকা করা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত হয়তো দুই লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

বেশ কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে এবং স্বল্প কর আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার কীভাবে ব্যয় বহন করবে তা চিন্তার বিষয়।

জিডিপি অনুপাতে শুল্ক বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংশোধন না করা হলে, সরকারকে গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

অর্থমন্ত্রী অবশ্য বাজেট বক্তৃতায় স্বীকার করেছেন যে করোনার কারণে বিদায়ী অর্থবছরে সরকার রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কারকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেনি। তবে, পরবর্তী অর্থবছরে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান তিনি।

তবে, শেষ পর্যন্ত উদ্যোগগুলো কতটা সফল হয়, তা দেখার বিষয়। কর আদায় ব্যবস্থা, কর ফাঁকি রোধ করা, কর আদায়ের আওতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে দক্ষতা করোনা মহামারির আগেও সরকারের ছিল না।

আগামী অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চলতি অর্থবছরের মতোই প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, সরঞ্জাম ও রসদ সরবরাহ, দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি অর্থনীতিকে উচ্চতর প্রবৃদ্ধির গতিতে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করার কথা বলেছেন এবং বিদায়ী অর্থবছরের প্রাক্কলিত ছয় দশমিক এক শতাংশের তুলনায় সাত দশমিক দুই শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।

সরকার ধাপে ধাপে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে করোনা টিকাদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ, দেশের ১২ কোটি মানুষকে ২৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ৪১ লাখ ৭৩ হাজার জন দুই ডোজ করোনা টিকা নিয়েছেন। এই সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র তিন দশমিক চার শতাংশ।

সরকার এখন প্রাথমিকভাবে প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এ সংখ্যা দ্বিগুণ করে যদি প্রতি মাসে ৫০ লাখ মানুষকেও টিকা দেওয়া হয়, তাহলেও দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে অন্তত দুই বছর লেগে যাবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গণ-টিকাদানের মাধ্যমে আমরা চলমান এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারব।’

খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে তিনি খামার যান্ত্রিকীকরণ, সেচ ও বীজের জন্য প্রণোদনা, কৃষি পুনর্বাসন এবং সারের ওপর ভর্তুকি বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

উন্নয়ন অংশীদারদের বৈদেশিক সহায়তার উচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণ করা হবে।

তিনি প্রকল্পঋণ হিসেবে ১০ বিলিয়ন ডলার এবং বাজেট সহায়তা হিসেবে তিন বিলিয়ন ডলারসহ মোট ১৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক সহায়তার অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার আট বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সহায়তা ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল এবং এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত চার দশমিক আট বিলিয়ন ব্যয় করতে সক্ষম হয়েছে।

সরকারি বিনিয়োগ ও জিডিপির অনুপাত আট দশমিক এক শতাংশ থেকে আট দশমিক দুই শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তবে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এক দশমিক এক শতাংশ হারে কমে ২৪ দশমিক দুই শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

জিডিপি অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ অতিরঞ্জিত বলে মনে হয়েছিল এবং তা বাস্তবতাবিচ্ছিন্ন ছিল। বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধির সূচক ছিল খুবই কম।

প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সেসব ব্যয় কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেবো যেগুলো মহামারির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের সঙ্গে লড়াই করে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার করতে পারবে এবং জীবন-জীবিকা রক্ষার মাধ্যমে মানুষের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করবে।’

আরেকটি বিষয় হলো, তিনি দারিদ্র্যের হারের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য দেননি। এর পরিবর্তে তিনি ২০১৯ সালের দারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক পাঁচ শতাংশের কথা উল্লেখ করেছেন।

গত বছর মহামারির বিস্তার ঠেকাতে ৬৬ দিনের লকডাউনের কারণে দারিদ্রের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) খাতকে হতাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। তবে, তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবা দিতে এবং দরিদ্রদের নগদ সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবহারে এমএফএসের ভূমিকা স্বীকার করেছেন।

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত নয় এমন এমএফএস সেবা প্রদানকারীদের করপোরেট করের হার ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

ক্রমবর্ধমান এ সেবা সম্প্রসারণ করার ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরবরাহ পদ্ধতি উন্নত করতে এবং সচেতনতা বাড়াতে যখন ব্যাপক বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তখন এমন ঘোষণা একটা বড় ধাক্কা।

এ খাতের সংশ্লিষ্টরা একে ডিজিটালাইজেশনের বিরোধী অবস্থান হিসেবে দেখছেন।

তবে, মহামারি চলাকালে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।

ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন জারীন তাসনিম

Comments

The Daily Star  | English

Doctors, engineers grab a third of civil admin jobs

The general cadre jobs in the civil service have become so lucrative that even medical and engineering graduates are queuing up for them, giving up careers in the two highly specialised fields.

10h ago