হাতিয়ায় ইউপি সদস্য হত্যার ঘটনায় আটক ১

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চরঈশ্বর ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
রবীন্দ্র চন্দ্র দাস। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে  কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চরঈশ্বর ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আজাদ (৩৪) তিনি চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী গ্রামের বাসিন্দা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘চরঈশ্বর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গ থেকে সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। সন্ধ্যা ৭টায় পারিবারিক শ্মশানে তার শেষকৃত্য হয়।

ওসি আবুল খায়ের জানান, রবীন্দ্র চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

তবে, হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চরঈশ্বর ইউনিয়নের বাংলা বাজার থেকে তিনটি মোটরসাইকেলে করে রবীন্দ্র চন্দ্র দাসসহ সাত জন হাতিয়া পৌরসভা আসছিলেন। পথে খাসেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে এক দল দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রবীন্দ্র দাসকে প্রথমে গুলি করে ও পরে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা।

টহল পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কিচ্ছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

আজ দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নাজিম উদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ভোররাত ৩টা ১০ মিনিটে ওই ইউপি সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তিনি গুলিবিদ্ধ ছিলেন ও তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছিল। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান।’

আরও পড়ুন:

হাতিয়ায় ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

 

Comments

The Daily Star  | English

44 lives lost to Bailey Road blaze

33 died at DMCH, 10 at the burn institute, and one at Central Police Hospital

8h ago