সাতক্ষীরায় সংক্রমণ আবারও ঊর্ধ্বমুখী, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৬৪.১৯ শতাংশ

সাতক্ষীরা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪.১৯ শতাংশ করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় যা ছিল এক সপ্তাহে সর্বনিম্ন ৩৬.১৭ শতাংশ। কিন্তু, একদিনের ব্যবধানে শনাক্তের হার ২৮.০২ শতাংশ বেড়েছে।
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত

সাতক্ষীরা জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪.১৯ শতাংশ করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় যা ছিল এক সপ্তাহে সর্বনিম্ন ৩৬.১৭ শতাংশ। কিন্তু, একদিনের ব্যবধানে শনাক্তের হার ২৮.০২ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে করোনায় দু’জন ও করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও দু’জন মারা গেছেন।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের চিকিৎসা কর্মকর্তা জয়ন্ত সরকার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬৪.১৯ শতাংশ। যা সাতক্ষীরা জেলায় সর্বোচ্চ শনাক্তের হার। এর আগে শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল এবং শনাক্তের হার ছিল ৩৬.১৭ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে করোনায় দু’জন এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে দু’জন মারা গেছেন।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত জানান, সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় দফা লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। লকডাউন মানাতে পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু, মানুষ সচেতন হচ্ছে না। শহর এলাকায় পুলিশের ব্যারিকেড ও বাঁধার কারণে কিছুটা মানলেও উপজেলা সদরের বাইরে লকডাউন মেনে চলার প্রবণতা খুবই কম। ফলে সংক্রমণ কমছে না।

তিনি আরও জানান, সাতক্ষীরা জেলায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৫৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় দুই হাজার ৩৭৬ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনার উপসর্গে ২৪৭ জন ও করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:

Comments

The Daily Star  | English

Change Maker: A carpenter’s literary paradise

Right in the heart of Jhalakathi lies a library stocked with over 8,000 books of various genres -- history, culture, poetry, and more.

4h ago