নারীর জন্য নিরাপদ সমাজ এখনও অনেক দূরে

নারীর জন্য নিরাপদ সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা কি যথেষ্ট সফলতা পাচ্ছে না? আমরা কি হেরে যাচ্ছি?

নারীর জন্য নিরাপদ সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা কি যথেষ্ট সফলতা পাচ্ছে না? আমরা কি হেরে যাচ্ছি?

অভিনেত্রী পরীমনির ওপর নির্যাতনের ঘটনা এই প্রশ্নটিকে আরেকবার সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, তার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা মামলা নিতে গড়িমসি করেছেন, তার সহকর্মী শিল্পী সংগঠনের নেতারা পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে উদাসীন থেকেছেন। চার দিন পরে তিনি যখন উপায়ান্তর না দেখে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন, তখন নড়াচড়া শুরু হয়। পরদিনই মামলা হয় এবং প্রধান অভিযুক্তসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হন। এই ব্যাপারটি অন্তত তিন দিন আগে হতে পারতো।

কোনো কোনো উল্লেখযোগ্য সংবাদপত্রও খবরটি বিনোদন পাতায় ছেপেছে। একজন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ যেখানে আছে, সেই খবর কীভাবে বিনোদন পাতার খবর হয়? অধিকাংশ পত্রিকা এই খবরের সঙ্গে পরীমনির একাধিক ফুলসাইজ ছবি ছেপেছে। এ রকম ঘটনার ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীর ছবি যদি ছাপতেই হয়, তাহলে একটি হাফ ছবিই যথেষ্ট ছিল।

বিশেষত দ্বিতীয় দিনে তো অভিযুক্ত বা গ্রেপ্তারকৃতের ছবিই থাকার কথা ছিল। অথবা অভিযোগকারীর সংবাদ সম্মেলনের ছবি ছিল। কিন্তু, সেদিনও অনেক পত্রিকা অভিযুক্তের ছবি না ছেপে উল্টো অভিযোগকারীর বড় ছবি ছেপেছে।

মূলধারার গণমাধ্যমে যখন বাজারি মনোভাবের এমন নগ্নপ্রকাশ ঘটে, তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর থেকে খুব বেশি ভিন্ন ছবি আশা করাটা হবে  দুরাশা। একদিকে প্রচুর সংবেদনশীল মানুষ পরীমনির প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার দাবী করছেন, তার পাশে থাকার কথা বলছেন, নৈতিক সমর্থন জানাচ্ছেন। অন্যদিকে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি মানুষ ফেসবুকে অরুচিকর ও নারীর প্রতি অবমাননাকর পোস্ট দিচ্ছেন, খারাপ মন্তব্য করছেন, ইউটিউবে নিজেদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য নিয়ে ভিডিও শেয়ার করছেন। সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে তার অভিনয় দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও, যেগুলো বাস্তবের মানুষটিকে নয় বরং সিনেমার চরিত্রটিকেই ‘রিপ্রেজেন্ট’ করে।

পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে নারীর গায়ে কাদা ছিটানো খুব সহজ। নারী-পুরুষ পারস্পরিক সম্পর্কজনিত কোনো নেতিবাচক ঘটনা ঘটলে সচরাচর ‘নারীঘটিত’ শব্দটি ব্যবহার করতে দেখা যায়। সমাজের মানসিকতা এর থেকেই বোঝা যায়। পরীমনির মতো সেলিব্রেটির ক্ষেত্রেও আমরা সেটা দেখছি। তিনি সুপরিচিত অভিনেত্রী হওয়ায় একটু বেশি করেই দেখছি। আলোচ্য ঘটনাকে বাদ দিয়ে পরীমনির চরিত্র ভালো নাকি খারাপ, সেটা নিয়ে অনেক মানুষের মাতামাতি বেশি।

নারী নির্যাতনের, বিশেষত ধর্ষণের মতো গুরুতর ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে, নারীর দোষ খোঁজার চেষ্টা নতুন নয়। কিন্তু, সেটা কতটা প্রকট এবং কতটা সর্বব্যাপী তা বোঝা যাচ্ছে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার মতামত প্রকাশের মধ্য দিয়ে।

এখন প্রশ্ন, তাহলে এতো দিন ধরে নারী অধিকার বাস্তবায়নের জন্য, নারীর জন্য নিরাপদ সমাজ সৃষ্টি করার জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে যেসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, সেগুলো কি ব্যর্থ? প্রশ্নটা এজন্যে নয় যে একটি ঘটনা ঘটেছে। বরং সেই ঘটনায় বিশাল সংখ্যক মানুষ যেভাবে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে এবং দিচ্ছে, প্রশ্নটা সেজন্যে। এই সামষ্টিক ব্যর্থতার দায় কেউ কি স্বীকার করছে?

আমরা কেউই সামাজিক এই অসহনশীল পরিস্থিতির দায় নিতে চাই না। নোয়াখালীর এখলাসপুরে কয়েক মাস আগে ঘটে যাওয়া বর্বরোচিত নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রেক্ষিতে মানুষের প্রতিক্রিয়ার কথাই ধরা যাক। ঘটনাটি ঘটার প্রায় একমাস পরে একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে সারাদেশের মানুষ প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে। একটা সভ্য সমাজে মানুষ এ রকম বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদ করবে এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশের বার্তাগু‌লোর একটা বিশেষ লক্ষণীয় দিক আছে। সেটা হচ্ছে, আমরা কেউই নিজেকে এই ঘটনাগুলো ঘটার বা প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকার জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী মনে করছি না। অন্য কথায়, আমরা দায় এড়া‌নোর পথ ধরেছি। অন‌্য কারো ঘাড়ে দোষ চা‌পি‌য়ে নি‌জে‌কে কোনো রক‌মের প্রত‌্যক্ষ বা প‌রোক্ষ দায় থে‌কে মুক্ত হি‌সে‌বে ঘোষণা দেওয়াটা আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টগুলোর একটা বৈশিষ্ট্য।

যখন অন্য কাউকে পাচ্ছি না, তখন আমরা ভুক্তভোগীকে দোষারোপ করতেও দ্বিধা করছি না। নোয়াখালীর ঘটনায়ও আমরা ভুক্তভোগীকে দোষারোপের চেষ্টা দেখেছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতে একজন নারীকে নির্যাতন করার, যৌনকর্মে বাধ্য করার অধিকার কারোই নেই। তিনি পরিচিত হলে বা প্রেমিকা হলেও না। এমনকি যৌনকর্মী হলেও না।

নোয়াখালীর ঘটনায় যারা জড়িত, তাদেরকে চিহ্নিত করা গেছে। তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত এবং ধারণা করা যায়, এটা তাদের শক্তির উৎস। সুতরাং, এক্ষেত্রে প‌রোক্ষ পৃষ্ঠ‌পোষকতার জন্য বা পরোক্ষভাবে অপকর্মে সাহস যোগানোর জন্য ক্ষমতাসীন দলকে দায়ী করার একটা সুযোগ থেকেই যাচ্ছে।

যেখানে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুরা ধর্ষক, সেখানে আমাদের কিন্তু ভাবতেই হচ্ছে যে রাজনীতি বা রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে সংযুক্ততাই ধর্ষক হওয়ার একমাত্র কারণ নয়। বরং আমরা খেয়াল করি, গত ছয় মাসের মধ্যে একজন বাবা তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে, একজন চা‌র্চের পা‌দ্রি ধর্ষণ ক‌রে‌ছে শিশুকে, মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ধর্ষণ ক‌রেছে তার ছাত্রকে। কাজেই, শুধু রাজনীতিকে দোষ দিয়েও সমস্যা মিটবে না।

খাগড়াছ‌ড়ি‌তে ক্ষুদ্র ণৃ-গোষ্ঠীর মে‌য়ে‌টি‌কে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার তেমন কোনো নাগরিক প্রতিবাদ আমরা দে‌খি‌নি। কেন দেখিনি সেটা নি‌য়ে গ‌বেষণা হ‌তে পা‌রে। হয়‌তো সেখা‌নে অভিযুক্তদের রাজ‌নৈ‌তিক প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি ব‌লে। হয়তো মেয়েটি ক্ষুদ্র ণৃ-গোষ্ঠীর বলে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মানুষ তার প্রতি ‘নৈকট্য’ বোধ করেনি। সেটাও এক ভয়াবহ মান‌সিকতা।

প্রতিবাদ বা প্রতিরোধে প্রতিপক্ষ থাকে, দায়ী বা অভিযুক্ত থাকে। তার বা তাদের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ হয়। কিন্তু উপরের ঘটনাগুলো আমাদেরকে আরেকটা কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষ অপরাধীদের সঙ্গে সঙ্গে এই সমাজে এই রাষ্ট্রে পরোক্ষ অপরাধের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যেটা প্রত্যক্ষ অপরাধীদেরকে এসব কাজে বাধা দেওয়ার বদলে উৎসাহিত করছে।

সেই অপরাধ-অনুকূল পরিবেশের দায় কার? আমরা সবাই এক ধরনের দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করছি। মনে হচ্ছে, আমরা এলিয়েন, এই সমাজে থাকি না। অথবা অপরাধীরা এলিয়েন, তাদেরকে আমরা কখনও দেখিনি। আমরা সবাই ফেসবুক পোস্ট লিখে হোক, বক্তৃতা করে হোক, আন্দোলন করে হোক, সংবাদপত্রে কলাম লিখে হোক, বলতে চাচ্ছি কেউ একজন দায়ী আছে। আর সেই দায়ীদের দলে আমি নেই। আমরা কখনোই মনে করছি না যে এই অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আমার নিস্পৃহতা, এমনকি আমাদের কারো কারো পেশাগত ব্যর্থতাও আছে।

ধরুন, এতদিন যারা নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার জন্য, সমাজে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন, তারা কি এই ব্যর্থতার দায় একটুও নেবেন না নিজেদের ঘাড়ে? গত ৪০ বছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে নারী অধিকার বাস্তবায়ন, নারী অধিকারের প্রতি সহনশীলতা তৈরি এবং নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ করার জন্য। সেইসব প্রকল্পের ফলাফলের প্রতিফলন সমাজে কোথায়? নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা সমাজে এতো বেশি ঘটে চলাটাই বলে দেয়, এই উদ্যোগগুলো হয়তো কাঙ্ক্ষিত সফলতা পায়নি।

এসব কার্যক্রম যারা পরিচালনা করেছেন, তাদের এই ব্যর্থতার আংশিক দায় নিতে হবে। নারী অধিকার, মানবাধিকার এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি যখনই সাধিত হয়েছে তখনই সেসব অর্জনের কৃতিত্বে তারা অংশীদার হয়েছেন। যেটা যৌক্তিকও। কিন্তু আজ যখন অর্জনটা নেগেটিভ, আমরা সামাজিক সেই কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছি, তখন ব্যর্থতার দায়টাও নিতে হবে।

আমাদের এনজিওগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মানবাধিকার, নারী অধিকার, দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ক কমিটি করেছে। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের সেই কমিটিগুলো কোথায় গেলো? এখলাসপুরের ঘটনার একমাসের মধ্যেও সেইসব মানবাধিকারকর্মী, সেইসব সচেতন মানুষেরা খবর পেলেন না তার উপজেলায় কী ঘটে গেলো!

আমাদের কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামগুলো, যেগুলোর ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি রয়েছে, সেগুলো কেন এ বিষয়ে পুলিশকে জানাতে ব্যর্থ হলো? পুলিশের সোর্স আছে, গ্রামপুলিশ আছে, ইউপি মেম্বার আছে, তারা সবাই চুপ থাকলেন কেন? এত সাংবাদিক উপজেলা পর্যায়ে, ইউনিয়ন পর্যায়েও প্রতিনিধি আছে অনেকের, তারাও প্রকাশ্যে এতো বড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার খবরটা পেলেন না কেন?

ঘটনা চেপে যাওয়ার মতো ভীতিকর পরিস্থিতি নিশ্চয়ই তৈরি হয়েছিল। এটা অবশ্যই খারাপ খবর। কিন্তু সেই পরিস্থিতিকে অতিক্রম করতে আমাদের সরকারি-বেসরকারি সব ‘মেকানিজম’ ব্যর্থ হয়েছে, এটাই সবচেয়ে বড় খারাপ খবর।

একটা সমাজ আস্তে আস্তে এতো হিংস্র হয়ে যাচ্ছে, সেটা ঠেকানোর দায়িত্ব কার? সেটা কি শুধুই সরকারের দায়িত্ব? মানুষ অপরাধ থেকে নিজেকে বিরত রাখবে অথবা সমাজ তাকে বিরত করবে, অন্তত নিরুৎসাহিত করবে। সেটা না হলে সমাজে অপরাধ দমন সম্ভব নয়। এমন তো সম্ভব না যে বাংলাদেশের আঠারো কোটি মানুষের মধ্যে নয় কোটি মানুষ পুলিশ হবে, আর বাকী নয় কোটি মানুষের প্রত্যেকের পিছনে একজন করে পুলিশ থাকবে। অপরাধ-অনুকূল পরিবেশের পরোক্ষ দায় আমাদের সবার নিতে হবে। এ ব্যর্থতা আমাদের সামষ্টিক ব্যর্থতা।

প্রত্যক্ষ অপরাধীদের বিচার এবং যথাযোগ্য শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য যা কিছু করণীয় করতে হবে। একইসঙ্গে সমাজের অপরাধ-অনুকূল পরিবেশকে নাকচ করে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

আমরা ভাবতে পারি সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থাকে কি করে আরও কার্যকর করা যায়। তদন্ত যারা করেন, এই বিশেষ ইস্যুটি তদন্ত করার ক্ষেত্রে তাদেরকে কিভাবে আরও দক্ষ করে তোলা যায়। সেইসব ক্ষেত্রে আমাদেরকে বিনিয়োগ করতে হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে। অন্যদিকে আমাদের বিনিয়োগ করতে হবে একটা সহনশীল সুন্দর সমাজ, সামাজিক কাঠামো বিনির্মাণের জন্য। তার জন্য স্বল্পমেয়াদী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের মানসগঠনের মতো দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে বিষয়গুলো তুলে ধরা, ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, এসব সেই মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবে থাকবে।

নারীর জন্য নিরাপদ, সংবেদনশীল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে এ রকম অনেক কিছুই করা যায়। কিন্তু তার আগে আমাদের এতো দিনের প্রচেষ্টার ‘গ্যাপটা’ খুঁজে বের করতে হবে। হতে পারে, আমরা হয়তো আমাদের সমাজের মনস্তত্বকে ভালোভাবে বুঝতেই পারিনি। শুধু পশ্চিমা ধাঁচে কার্যক্রম চালিয়ে গেছি। তাই প্রয়োজনীয় জায়গাটিতে ধাক্কা মারতে পারিনি। এখনই সময় আমাদের এ যাবৎকালের এ বিষয়ক সরকারি, বেসরকারি ও নাগরিক উদ্যোগগুলোর কার্যক্রম ও ফলাফল অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের জন্য কর্মপন্থা নির্ধারণের। সেই উদ্যোগে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

তাপস বড়ুয়া, বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী

[email protected] 

(দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদকীয় নীতিমালার সঙ্গে লেখকের মতামতের মিল নাও থাকতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের, দ্য ডেইলি স্টার কর্তৃপক্ষের নয়। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার দ্য ডেইলি স্টার নিবে না।)

Comments

The Daily Star  | English

Loan default now part of business model

Defaulting on loans is progressively becoming part of the business model to stay competitive, said Rehman Sobhan, chairman of the Centre for Policy Dialogue.

4h ago