আত্মবিশ্বাসী রোনালদোর ভাবনায় জার্মানির বিপক্ষে জয়

ভীষণ কঠিন গ্রুপ হওয়ায় জয় দিয়ে ইউরো শুরুকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন রোনালদো।
ronaldo euro
ছবি: টুইটার

২০২০ ইউরোতে মৃত্যুকূপে পড়া বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। জোড়া গোলে দলকে জেতানোর পর তাদের অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর আত্মবিশ্বাসের পালে লেগেছে হাওয়া। সেটাকে পুঁজি করে শক্তিশালী জার্মানির বিপক্ষে পরের ম্যাচে জয়ের ভাবনা নাড়া দিচ্ছে তার মনকে।

মঙ্গলবার রাতে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে বুদাপেস্টের ফেরেনঙ্ক পুসকাস স্টেডিয়ামে স্বাগতিক হাঙ্গেরিকে ৩-০ হারায় পর্তুগাল। ৮৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আরেকবার জাল খুঁজে নেন জুভেন্টাসের এই ফরোয়ার্ড।

এই গ্রুপে আরও রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। তারা নিজেদের ম্যাচে জার্মানির মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় জিতেছে ১-০ গোলে।

ভীষণ কঠিন গ্রুপ হওয়ায় জয় দিয়ে ইউরো শুরুকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন ৩৬ বছর বয়সী রোনালদো। পাশাপাশি জয়ের ধারা ধরে রাখার প্রত্যাশাও তার, ‘আত্মবিশ্বাস অর্জনের জন্য এভাবে সঠিক পা রেখে শুরু করাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন আমাদের এই ধারা বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের পরের ম্যাচে জয় পাওয়ার ব্যাপারে ভাবতে হবে।’

দারুণভাবে রক্ষণ সামলে ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পর্তুগালকে আটকে রাখতে পেরেছিল হাঙ্গেরি। তবে শেষদিকে নজর কেড়ে নেওয়া রোনালদো কৃতিত্ব দিলেন সতীর্থদের, ‘হাঙ্গেরি ৯০ মিনিট খুবই ভালোভাবে রক্ষণ জমাট রেখেছিল। তারপরও আমরা তিনটি গোল করতে পেরেছি। দুটি গোল করতে ও ম্যাচ সেরা হতে আমাকে সাহায্য করায় দলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

আগামী শনিবার মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় জার্মানদের মোকাবিলা করবে পর্তুগিজরা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত দশটায়।

উল্লেখ্য, হাঙ্গেরির বিপক্ষে জোড়া গোলে ইউরোর ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো। তিনি টপকে গেছেন নয় গোল করা ফ্রান্সের সাবেক তারকা মিশেল প্লাতিনিকে। ইউরোপের সর্বোচ্চ ফুটবল আসরে ২২ ম্যাচে রোনালদো গোল এখন ১১টি।

Comments

The Daily Star  | English
irregular migration routes to Europe from Bangladesh

To Europe via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

22h ago