বিদায় বেলায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন রামোস

কাগজে কলমে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় সের্জিও রামোস। কিন্তু তাকে বিদায় নিতে হলো আগেই। নিয়মের বেড়াজালে আটকে তাকে বিদায় করে দিচ্ছে তার প্রিয় ক্লাব। আর বিদায় বেলায় নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন এ কিংবদন্তি। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানালেন, 'আবার ফিরে আসব'

কাগজে কলমে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় সের্জিও রামোস। কিন্তু তাকে বিদায় নিতে হলো আগেই। নিয়মের বেড়াজালে আটকে তাকে বিদায় করে দিচ্ছে তার প্রিয় ক্লাব। আর বিদায় বেলায় নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন এ কিংবদন্তি। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানালেন, 'আবার ফিরে আসব'

রিয়ালের সঙ্গে তার ১৬ বছরের সম্পর্ক। খেলেছেন ৬৭১টি ম্যাচ। জিতেছেন ২২টি শিরোপা। তার প্রায় সবগুলোতেই রেখেছেন প্রত্যক্ষ অবদান। কিন্তু তার কোনো অবদানই ক্লাব কর্তৃপক্ষের শক্ত হৃদয়কে ছুঁতে পারল না। বিদায় বলতেই হলো তাকে।

স্বাভাবিকভাবেই বিদায় বলাটা এতোটা সহজ ছিল না রামোসের জন্য। কথা বলতে বলতে বার বার গলা যেন ধরে আসছিল তার। ক্যামেরার সামনেই চোখ মুছেছেন। অবশ্য তার বিদায়টা আজ হলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটা গতকালই দিয়েছিল রিয়াল। ক্লাবের সঙ্গে রামোসের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার কথা জানায় তারা।

মূলত চুক্তি নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় ক্লাব ছাড়তে হলো রামোসকে। ক্লাব থেকে ১০ শতাংশ বেতন কমিয়ে এক বছরের চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বেতন কমানোর বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু চেয়েছিলেন দুই বছরের চুক্তি। কিন্তু ক্লাব তাকে দুই বছর রাখতে চায়নি।

মাদ্রিদে আজ রামোসকে বিদায় জানাতে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের। সেখানে কথা বলতে গিয়ে অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রামোস, 'আমি চলে যাচ্ছি, তবে রিয়াল সবসময় আমার হৃদয়ে থাকবে। একদিন না একদিন আমি এখানে আবার ফিরব।'

আর রিয়াল ছাড়ার কারণটাও জানিয়েছেন এ ডিফেন্ডার, 'আমি থাকতেই চেয়েছিলাম। আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বেতন কমানোর সঙ্গে এক বছরের চুক্তির। কিন্তু আমি নিজের ও পরিবারের জন্য চেয়েছিলাম দুই বছরের চুক্তি। শেষ পর্যন্ত এক বছরের চুক্তিতে রাজি হই, কিন্তু ক্লাব থেকে জানানো হয় অনেক দেরি হয়ে গেছে।'

রিয়াল ছেড়ে নতুন কোন ক্লাবে যাচ্ছেন তা জানাননি রামোস। বেশ কিছু জায়ান্ট ক্লাবই তাকে পেতে আগ্রহী। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কোথায় তাঁবু গাড়েন এ তারকা।

Comments

The Daily Star  | English

Consumers brace for price shocks

Consumers are bracing for multiple price shocks ahead of Ramadan that usually marks a period of high household spending.

11h ago