ছয় মাসেই পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন ইউনিস

পাকাপাকিভাবে চুক্তি করেছিলেন দুই বছরের জন্য। কিন্তু ছয় মাস না পেরোতেই বিদায় বলে দিলেন ইউনিস খান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দলটির ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
ছবি: সংগৃহীত

পাকাপাকিভাবে চুক্তি করেছিলেন দুই বছরের জন্য। কিন্তু ছয় মাস না পেরোতেই বিদায় বলে দিলেন ইউনিস খান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দলটির ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পিসিবি। তবে ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে তার কারণ জানায়নি দুপক্ষের কেউ। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের আগামী ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে থাকছেন না সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইউনিস।

গত বছরের জুনে পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরের আগে ব্যাটিং উপদেষ্টা হিসেবে স্বল্প মেয়াদে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইউনিস। এরপর নভেম্বর মাসে তাকে পাকাপাকিভাবে ব্যাটিং কোচ বানানো হয়। আগামী ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত পাকিস্তান দলের সঙ্গে থাকার কথা ছিল তার। চুক্তি অনুসারে, আরও এক বছর অর্থাৎ ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনেরও সুযোগ ছিল তার।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্প্রতি শেষ হওয়া পাকিস্তানের টেস্ট দলের ক্যাম্পেও পুরোটা সময় থাকেননি ইউনিস। অল্প কয়েক দিন কাটিয়ে ক্যাম্প ছেড়ে তিনি চলে যান করাচিতে।

বিবৃতিতে পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ইউনিস খানের মতো মানসম্পন্ন ও অভিজ্ঞ একজনকে হারানো দুঃখজনক। কয়েক দফা আলোচনার পর আমরা দুপক্ষ অনিচ্ছা সত্ত্বেও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, এটাই উপযুক্ত সময় ভিন্ন ভিন্ন দিকে এগোনোর।’

একমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ১০ হাজারের বেশি রান করা ইউনিসের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি, ‘স্বল্প মেয়াদে পাকিস্তানের ছেলেদের জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে তার অবদানের জন্য আমি ইউনিস খানকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করি, উদীয়মান ক্রিকেটারদের সঙ্গে তার বিস্তৃত জ্ঞান ভাগাভাগি করার মাধ্যমে তিনি সবসময় পিসিবিকে সহায়তা করবেন।’

পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ হিসেবে মিশ্র অনুভূতি হয়েছে ইউনিসের। দেশের বাইরে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টের দুটিতে তারা ড্র করে এবং হারে বাকি তিনটিতে। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে দেশের মাটিতে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হারানোর পর দেশটিতে সফরে গিয়েও সাদা বলের দুটি সিরিজ জেতে তারা। সবশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নেয় তারা।

Comments