‘তরুণদের অবদান ছাড়া বাংলাদেশের বড় জয় খুব কম’

Nazmul Hasan Papon
ফাইল ছবি: বিসিবি

অভিজ্ঞ তারকারা বিদায় নিলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের কী হবে, এই নিয়ে অনেকেরই উদ্বেগ আছে। তরুণরা কি পারবেন আগামীর হাল ধরতে? তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মনে করেন, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তরুণরা প্রস্তুত। এমনকি আগেও তরুণদের অবদান ছাড়া বড় জয় কমই এসেছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে আলো ছড়াচ্ছেন বাংলাদেশের তরুণরা। প্রথম ম্যাচের নায়ক ছিলেন নাসুম আহমেদ। পরের ম্যাচে সেরা আফিফ হোসেন। প্রথম ম্যাচেও আফিফ রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। 

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সিরিজ জেতার কাছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিসিবি সভাপতি শোনান তরুণদের নিয়ে আশার কথা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নাজমুল ফিরে যান পেছনে, 'বহু ম্যাচ... আমাদের যারা নতুন বা তরুণ, তাদের অবদানের জন্য যে কত ম্যাচ জিতেছি, এর হিসাব নেই। হতে পারে তারা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হতে পারেনি, কিন্তু তাদের অবদান ছিল না, এমনটা খুব কম। গত ৮ বছরে আপনি যদি খেলাগুলো দেখেন, সৌম্যর জন্য আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ম্যাচ জিতিনি? তখন তো চিন্তাই করা যেত না যে, আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ জিতব। মোস্তাফিজ তো আমাদের অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে, সেটা নিয়ে তো সন্দেহ নাই।'

বর্তমান দলের তরুণদের ঘিরে তার প্রত্যাশা অনেক, 'শরিফুল কি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি? তাসকিন যে ফেরত এসছে, সেটা কি আমাদের জন্য ভালো না? নাসুমের কথা যদি বলি, আমাদের তো অভিজ্ঞ তাইজুল আছে, প্রমাণিত মিরাজ আছে, তাও আমরা নাসুমকে খেলাচ্ছি। আমরা শেখ মেহেদীকে খেলাচ্ছি। আফিফ ধারাবাহিকভাবে ভালো করে আসছে। শামীম জিম্বাবুয়েতে ভালো খেলেছে। নতুন কেউ এসেই টানা ভালো করবে, এটা তো প্রত্যাশা করাই উচিত না।'

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago