অস্ট্রেলিয়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় পালন করা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২১।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে নানা আয়োজন করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন হাইকমিশনার সুফিউর রহমান। স্থানীয় সংগঠনগুলোর নেতা কর্মী ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা।
হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বলেন, 'বাংলার জনগণের হাজারো বছরের জাতিসত্তার বিকাশ এবং একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন ছিল বঙ্গবন্ধুর মহান অবদান। এজন্যই তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি।'
সিডনিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস শোক দিবসের অনুষ্ঠান পালন করে দুটি পর্বে। সকালে কনসাল জেনারেল খন্দকার মাসুদুল আলম বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। এরপর কনস্যুলেট কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে 'বিশ্ববন্ধু বঙ্গবন্ধু' নামক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। অনুষ্ঠানে সিডনির সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার শান্তি ও করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অস্ট্রেলিয়া আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রতন কুণ্ডু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার সুফিউর রহমান।
মেলবোর্ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে জাতির জনকের কর্মময় জীবনের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র এবং একটি গবেষণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আকিদুল ইসলাম: অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক, সাংবাদিক।
Comments