'ফুটবলের কাছে একটি বিশ্বকাপ পাওনা মেসির'

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একের পর এক রেকর্ড। একের পর এক অর্জন। এরমধ্যেই নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু পাননি কেবল ওই বিশ্বকাপটাই। একটাই আক্ষেপ। সে আক্ষেপ ঘোচানোর শেষ সুযোগটা থাকছে কাতারে। ঘুরেফিরে প্রশ্ন একটাই বিশ্বকাপে চুমু খেতে পারবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক? আর্জেন্টিনার তরুণ ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ মনে করেন মেসির ট্রফি কালেকশনের পূর্ণতা মিলবে মরুর বুকেই।

ক্লাব ফুটবলে শুরু থেকেই সফল মেসি। তবে জাতীয় দলের হয়ে সফলতা মিলেও মিলছিল না। ২০১৪ বিশ্বকাপেই স্বপ্নটা পূরণ হতে পারতো তার। কিন্তু ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে যায় তারা। এরপর ফাইনালে উঠেও হারিয়েছেন তিন তিনটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও। তবে অবশেষে গত বছরই ঘুচিয়েছেন আন্তর্জাতিক শিরোপার খরা। ১১ মাস যেতেই পেয়েছেন আরও একটি। সে ধারায় এবার বিশ্বকাপ অর্জনের লড়াইটা হবে কাতারে।

আর সেখানে নিজেদের দারুণ সুযোগ দেখছেন তরুণ আলভারেজ। আর্জেন্টিনার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এল পাইসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তরুণ বলেন, 'খুব ভালো হবে যদি এটি সকল আর্জেন্টাইনদের জন্য এটা (বিশ্বকাপ) অর্জন করা যায়। এবং কারণ আমি মনে করি যে বিশ্বব্যাপী ফুটবলের কাছে মেসির এটা পাওনা। ফুটবল মেসির কাছে তার সবকিছুর জন্য ঋণী। আমি জানি না আমরা প্রার্থী কিনা তবে আমরা এখানে যে কারও সঙ্গেই লড়াই করতে এসেছি।'

অবশ্য দল হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ খেলছে আর্জেন্টিনা। টানা ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত দলটি। যদিও এ সময়ে শক্তিশালী দল বলতে ব্রাজিল, জার্মানি ও ইতালির মুখোমুখি হয়েছে তারা। তবে কোচ লিওনেল স্কালোনি দলটিকে দারুণ ভাবেই গুছিয়ে নিয়েছেন। তাই বিশ্বকাপে ভালো কিছুই প্রত্যাশা করছে তারা।

চলতি মৌসুমেই রিভারপ্লেট ছেড়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন আলভারেজ। তবে এ মৌসুমে ধারে আর্জেন্টিনার ক্লাবটিতেই খেলেছেন। আগামী মৌসুমের তাকে দেখা যাবে সিটিতে। এরমধ্যেই এ নিয়ে কথা বলেছেন সিটিজেনদের কোচ পেপ গার্দিওলার সঙ্গে, 'আমার গার্দিওলার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির দিকে যখন চুক্তি স্বাক্ষর হয়। সংক্ষিপ্ত কিছু কথা সেখানে তিনি আমাকে স্বাগতম জানিয়েছেন, আমি যা অর্জন করেছি তার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।'

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago