নামিবিয়ার এমন জয় কল্পনাতেও ছিল না ফ্রাইলিঙ্কের

ছবি: এএফপি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশেও নেই নামিবিয়া। অথচ তারাই কিনা হেসে-খেলে হারাল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে। ক্রিকেটীয় ঐতিহ্য, র‍্যাঙ্কিং ও শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে আনন্দ বাঁধ ভেঙেছে তাদের ক্রিকেটারদের। এমন অসাধারণ অর্জন কল্পনাতেও ছিল না, বললেন নামিবিয়ার ম্যাচসেরা অলরাউন্ডার ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক।

রোববার গিলংয়ের কার্ডিনিয়া পার্কে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লঙ্কানদের বিধ্বস্ত করেছে নামিবিয়া। তারা জিতেছে ৫৫ রানের বড় ব্যবধানে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৩ রান করে তারা। জবাবে এক ওভার বাকি থাকতে মাত্র ১০৮ রানেই অলআউট হয় এশিয়া কাপের শিরোপাধারী শ্রীলঙ্কা।

ব্যাটে-বলে অসামান্য নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন ফ্রাইলিঙ্ক। সাতে নেমে ২৮ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। পরে বল হাতে তিনি ২ উইকেট শিকার করেন ২৬ রানে।

ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে খুশিতে আত্মহারা ফ্রাইলিঙ্ক বলেন, 'এই মুহূর্তে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলছি। আমরা মাত্র যেটা অর্জন করলাম, সেটা আমরা কখনোই ভাবিনি করতে পারব। আমি খুবই রোমাঞ্চিত এখন।'

ফ্রাইলিঙ্ক যখন ব্যাটিংয়ে আসেন, সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল না নামিবিয়া। স্কোরবোর্ডে তখন ৪ উইকেটের বিনিময়ে রান ৭৬। সেখান থেকে জেজে স্মিটকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৩৩ বলে ৬৯ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়ে দলকে এনে দেন লড়াকু পুঁজি।

ফ্রাইলিঙ্কের সঙ্গে সমানতালে তাণ্ডব চালান স্মিটও। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্যাটিং নিয়ে ২৮ বছর বয়সী ফ্রাইলিঙ্ক বলেন, 'জেজে এসে জোড়া বাউন্ডারি মেরে আমার মাথার ওপর থেকে চাপ সরিয়ে দেয়। এরপর আমরা দুজন মিলে একটি লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেই। বোলাররাও দারুণ করেছে এরপর।'

কার্ডিনিয়া পার্কে ইনিংসের শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দুদলই। উইকেটে সুবিধা পান পেসাররা। উইকেট নিয়ে নামিবিয়ার জয়ের নায়ক বলেন, 'উইকেট কিছুটা দ্বিমুখী আচরণ করেছে। বোঝাটা একটু কঠিন ছিল। এছাড়া ভালোই ছিল উইকেট। বোলিংয়ে আমরা শুধু আমাদের পরিকল্পনায় অটল থেকেছি। ভালো জায়গায় বল ফেলেছি ও তাদের ভুল করার অপেক্ষায় ছিলাম।'

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago