অস্ট্রেলিয়ার অপেরা হাউসে প্রতিফলিত হবে ইসরায়েলি পতাকা

সিডনির অপেরা হাউস। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনে সিডনি অপেরা হাউস, সংসদ ভবন এবং মেলবোর্ন জুড়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন আজ রাতে ইসরায়েলি পতাকার প্রতিফলনে নীল ও সাদা রঙে সাজানো হবে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ ও বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটন ইসরায়েলে হামাসের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। ২০০১ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া হামাসকে 'একটি সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে।

স্কাই নিউজকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এটি একটি জঘন্য হামলা। এটি স্পষ্টতই খুব সুপরিকল্পিত ছিল এবং আমি মনে করি বিশ্বকে হতবাক করেছে। আমরা গত ৫০ বছর ধরে এমন ঘৃণ্য হামলা দেখিনি।'

আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আমরা নির্বিচারে রকেট ফায়ার, বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করা এবং জিম্মি করার নিন্দা জানাই। এগুলো হামাসের ঘৃণ্য কাজ এবং আমি আবারও সকল জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।'

সিনেটর ওং জানান, ইসরায়েলের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন এবং আত্মরক্ষার অধিকার প্রকাশ করতে তিনি ইসরায়েলি পক্ষের সাথে কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, 'ফেডারেল সরকার ইসরায়েলের ওপর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী হামাসের ঘৃণ্য আক্রমণে আটকে পড়া অস্ট্রেলিয়ানদের কল্যাণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। কোনো অস্ট্রেলিয়ান হাসপাতালে ভর্তি বা আহত হওয়ার বিষয়ে এই পর্যায়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।'

অস্ট্রেলিয়া আজ সোমবার বিপজ্জনক এবং অনিশ্চিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ভ্রমণকারীদের গাজা এড়াতে অনুরোধ করেছে। অস্ট্রেলিয়ান সরকারি সংস্থাগুলো যুদ্ধ কবলিত অঞ্চল থেকে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।

গাজায় বিমান হামলার পর 'অস্ট্রেলিয়ান জাতীয় ইমাম কাউন্সিল' ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তাদের সমর্থন ঘোষণা করেছে। এক বিবৃতিতে ইমাম কাউন্সিল বলেছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় হাজার হাজার নিরীহ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিককে হত্যা ও আহত করে চলেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।'

আকিদুল ইসলাম: অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক, সাংবাদিক

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

12h ago