অবরোধের দ্বিতীয় দিনে ঢাকায় বেড়েছে বাস-অটোরিকশা চলাচল

অবরোধের দ্বিতীয় দিনে ঢাকার বিজয় স্মরণি সিগন্যালে যানজট। ছবি: সাজ্জাদ হোসেন/স্টার

সারাদেশে বিএনপির ডাকা অবরোধের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে যানচলাচল বেড়েছে। কোনো কোনো সড়কে যানজটও দেখা গেছে।

আজ সোমবার সকালে সরেজমিনে ঢাকার শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, মহাখালী, বনানী, বিজয় সরণি, মগবাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ ও পল্টন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে গণপরিবহনের সংখ্যা বেড়েছে।

ফার্মগেট থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'অবরোধের দিনগুলোতে রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যালে অপেক্ষা করতে হয় না। কিন্তু আজ রাস্তায় যানজট বেশি। বিজয় সরণি সিগন্যাল থেকে জাহাঙ্গীর গেটে পৌঁছাতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।'

একই কথা জানান মোটরসাইকেল আরোহী আদনান সেজান।

তিনি বলেন, 'আমি কারওয়ান বাজার সিগন্যালে ১৫ মিনিট ধরে অপেক্ষা করছি। ভেবেছিলাম অবরোধের কারণে রাস্তা ফাঁকা থাকবে, কিন্তু আজ চিত্র ভিন্ন।'

যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, রায়েরবাজার, মাতুয়াইল, সাইনবোর্ড এলাকায়ও গণপরিবহনের চলাচল গতকালকের তুলনায় বেড়েছে। বাস, মিনিবাস, অটোরিকশা, পণ্যবাহী মিনিট্রাক, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার চলছে।

যাত্রাবাড়ী মোড়ে অপেক্ষমাণ যাত্রী কাজী মাহবুব হাসান বলেন, 'আমি পল্টনের একটি বেসরকারি খামারে কাজ করি। গত সপ্তাহের অবরোধের তুলনায় আজকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। একের পর এক বাস আসছে।'

গাবতলী রুটে চলাচলকারী গাবতলী লিংক পরিবহনের চালক শাহজাহান বলেন, 'আজ রাস্তায় বাস বেশি। কিন্তু যাত্রী কম।'

তবে তুলনামূলকভাবে কম চলছে আন্তঃজেলা বাস। সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে মাত্র ৩টি বাস ছেড়েছে।

এদিকে, আজ সকাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। কার্যালয়টি এখনো তালাবদ্ধ। সেখানে দলবেঁধে পুলিশ অবস্থান করছে।

এছাড়া ঢাকার প্রায় প্রতিটি মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি মোড়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের অবস্থান নিতেও দেখা গেছে।

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

12h ago