খেজুর খাবেন কোনটি?

ইফতারির তালিকায় খেজুর চাই-ই। রমজান মাস ছাড়াও সারা বছর এই সুস্বাদু ফলের কমবেশি চাহিদা থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে পাকা বিদেশি খেজুরের চল বেশি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখনো টিকে আছে দেশি খেজুর খাওয়ার রীতি। এ দুই ধরনের খেজুরের গুণাগুণে তফাত সম্পর্কে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘বিদেশি খেজুরে যে জলীয় অংশ থাকে, সেটি অনেক বেশি শক্তিবর্ধক। অন্যদিকে দেশি খেজুরে সুগার কম থাকে। এ ছাড়া গুণাগুণে আর তেমন কোনো পার্থক্য নেই।’ বাজারে এ দুইয়ের বাইরে শুকনো খেজুরও পাওয়া যায়। সেটিতে প্রোটিন কম থাকে বলে জানিয়েছেন শামসুন্নাহার নাহিদ। আর প্রতিটি খেজুরের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সালফার, আয়রন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ফলিক অ্যাসিড, আমিষ ও শর্করা। তাই খেজুর শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিকরও বটে৷ খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়েছেন এই পুষ্টিবিদ।

খেলে যা হবে

* ইফতারে যাঁরা শরবত খান না, তাঁরা কয়েকটি খেজুর খেয়ে এর চেয়েও বেশি শক্তি গ্রহণ করতে পারেন।

·* খেজুর হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রক্তপ্রবাহে গতি সঞ্চার করে।

* অল্প কয়েকটা খেজুর খেলে ক্ষুধার তীব্রতা কমে যায়। এই ফল পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদিকে শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়। ফলে মুটিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

* ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে।

* খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

* খেজুর ডি-হাইড্রেশন রোধ করে।

* শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সমতা রক্ষা করে।

যাঁদের জন্য ক্ষতিকর

যাঁদের ডায়াবেটিস এবং শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি রয়েছে, তাঁদের বেলায় পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাওয়া উচিত।

Comments

The Daily Star  | English

Haunted by scars, still waiting for justice

Survivors of enforced disappearances broke down yesterday as they recalled the torture, humiliation, and threats they endured in secret detention centres.

11h ago