সিকোয়েন্স
‘হালদা’-র মুক্তি উপলক্ষে তৌকীর আহমেদের বিশেষ সাক্ষাৎকার

‘নদী তো কথা বলে না, শুধু বয়ে যায়’

অভিনেতা-পরিচালক তৌকীর আহমেদের পঞ্চম ছবি ‘হালদা’ মুক্তি পেয়েছে আজ ১ ডিসেম্বর। প্রায় ১০০টি সিনেমা হলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ছবিটি। এর আগে তাঁর ‘অজ্ঞাতনামা’ প্রশংসিত হয়েছে দেশে-বিদেশে। ‘হালদা’ ছবিটিকে তিনি বলতে চেয়েছেন এটি দর্শকদের ছবি। ‘হালদা’-র সূচনা পর্ব, কেন তৈরি করলেন ছবিটি ও চলচ্চিত্র নিয়ে নিজস্ব ভাবনা তৌকীর আহমেদ ভাগাভাগি করেছেন দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনের সঙ্গে:
Tauquir Ahmed
অভিনেতা-পরিচালক তৌকীর আহমেদ। ছবি: শাহরিয়ার কবির হিমেল

অভিনেতা-পরিচালক তৌকীর আহমেদের পঞ্চম ছবি ‘হালদা’ মুক্তি পেয়েছে ১ ডিসেম্বর। প্রায় ১০০টি সিনেমা হলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ছবিটি। এর আগে তাঁর ‘অজ্ঞাতনামা’ প্রশংসিত হয়েছে দেশে-বিদেশে। ‘হালদা’ ছবিটিকে তিনি বলতে চেয়েছেন এটি দর্শকদের ছবি। ‘হালদা’-র সূচনা পর্ব, কেন তৈরি করলেন ছবিটি ও চলচ্চিত্র নিয়ে নিজস্ব ভাবনা তৌকীর আহমেদ ভাগাভাগি করেছেন দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনের সঙ্গে:

স্টার অনলাইন: ‘হালদা’ ছবি নিয়ে বিস্তারিত বলবেন কি?

তৌকীর আহমেদ: হালদা একটি নদীর নাম। এটি চট্টগ্রামের একটি নদী। যেটি ফটিকছড়ি থেকে কর্ণফুলী এসে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। এটি একেবারে বাংলাদেশী নদী। এটি কোনো হিমালয়ের নদী নয়। এটি ভারত বা চীন থেকে আমাদের দেশে আসেনি। এটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। এখানকার মাছ সারাদেশে ছড়িয়ে রয়েছে। আমাদের অর্থনীতিতে হাজার কোটি টাকার অবদান রয়েছে এই নদীটির। এটি চলে আসছে বহু বছর ধরে।

গত কয়েক বছর ধরে আমরা লক্ষ্য করছি, মাছ আসার পরিমাণটা কমে যাচ্ছে। এর সহায়ক পরিবেশটি এখানে থাকছে না। এটি কমতে কমতে ২০১৫ সালে খুব অল্পসংখ্যক ডিম ছেড়েছে মাছগুলো। আমাদের কথা হচ্ছে নদী আমাদের জীবনের উৎস। নদীবাহিত পলি আমাদের ফসল দেয়। নদীর তীরে আমাদের নগর, গ্রাম গড়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা কী করেছি, নদী থেকে আমরা সব সুফল নিয়েছি আর নদীগুলোকে মেরে ফেলেছি। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ নদী আমরা দখল করেছি, মেরে ফেলেছি। এখানে ইমারত গড়েছি, ময়লা ফেলেছি। এখন দেখেছি, আমরাই আমাদের পরিবেশের ভয়ানক ক্ষতি করে ফেলেছি।

‘হালদা’ দিয়ে বলতে চাই, আসুন আমাদের নদীগুলোকে বাঁচাই। সে কারণে ছবির নাম ‘হালদা’ রেখেছি। আমি চাই বাংলাদেশের সব মানুষ এই নদীটিকে চিনুক। একটি নদীর দ্বারা শত নদীর প্রতি যত্নবান হোক। নদী তো কথা বলে না, বয়ে যায়। কিন্তু, নদী পারের মানুষ কথা বলে। হালদা-পারের জনগোষ্ঠী ছবিতে এসেছে। নদী ও নারী আমাদের জীবনের উৎস। সে আমার মা-বোন, স্ত্রী-মেয়ে কিংবা প্রেমিকা যা-ই বলি না কেন, সেই নারীর প্রতি সহিংসতা কমানো যাচ্ছে না। এটি আমরা বলছি কিন্তু প্রতিদিন পত্রিকা খুললে সেখানে ধর্ষণের খবর আছেই।

আমি বলতে চাই, এই জীবনের উৎসগুলো আমাদের রক্ষা করতে হবে। নদী ও নারী খুব শাশ্বত একটি প্রকাশ। সে কারণে বলছি, ‘হালদা’ দর্শকদের ছবি। এখানে দর্শকদের জন্য আবেগ, ভালোবাসা, বিরহ-বেদনা, প্রতিবাদের অহংকার রয়েছে। তাই ‘হালদা’-কে দর্শকদের ছবি বলতে পারি।

স্টার অনলাইন: ‘হালদা’ আপনার পরিচালনায় পঞ্চম ছবি। আপনার এই অভিজ্ঞতায় ছবিটির জন্য যথাযথ প্রচারণা কি প্রয়োজন?

তৌকীর আহমেদ: এটি আমি আমার প্রথম ছবিতেই বুঝেছি। ‘জয়যাত্রা’ ছবিটি আমি রফিকুল বারী চৌধুরীর মতো ক্যামেরাম্যান সঙ্গে নিয়ে বানিয়েছি। বাংলাদেশের এক ঝাঁক ভালো অভিনেতা-অভিনেত্রী সেখানে কাজ করেছিলেন। আমার ধারণা ছিল ছবিটি মানুষ দেখবেন। সেই সময় আরো কঠিন ছিল সেলুলয়েডে করা। একেকটি প্রিন্ট করতে সত্তর হাজার টাকার মতো লাগত সে সময়। আমি অনেক হলে রিলিজ করেছিলাম কিন্তু মানুষ ছবিটি সেভাবে দেখেননি। তারা মনে করেননি এটি দর্শকদের ছবি। আমাদের দর্শক এখনো প্রথাগতভাবে ছবি দেখে বিনোদন পেতে চান। এফডিসির ছবির প্রতি তাঁদের আকর্ষণ বেশি থাকে। সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় এটি কঠিন কাজ।

কথা হলো আপনি আপনার কাজটি করবেন নাকি দর্শকের কাজটি করবেন। দুটোর মধ্যে কিন্তু একটি সংঘর্ষ রয়েছে। আমি যদি হলকে মাথায় রেখে ছবি বানাই, তাহলে কতটা শিল্পমানসম্পন্ন থাকবে; কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে কতটা কী হবে এটি কিন্তু একটি কঠিন বিষয়। যে কোনো একটিকে মাথায় নিয়ে বানালে বুঝি ভালো। ‘রূপকথার গল্প’ যখন বানিয়েছিলাম, তখন সেটি একটি মাত্র হল পেয়েছিল। আর কোনো হল ছবিটি নেওয়ার জন্য আগ্রহী হয়নি।

‘দারুচিনি দ্বীপ’ কিছুটা জনপ্রিয় ধারায় বানানো। যদি হলকে মাথায় রেখে বানানো যায় এবং দর্শককে বোঝানো যায় এখানে তার জন্যে কী বিনোদন আছে, তাহলে হয়তো তিনি আগ্রহী হবেন। তথাকথিত মার্কেটিংয়ের জন্য একটি আইটেম গান জুড়ে দেওয়া, মারপিটের দৃশ্য কিংবা ভাঁড়ামো রাখার পক্ষপাতী আমরা না। আমরা চাই রুচিশীল জিনিস বানাতে। এতে যদি দর্শককে আগ্রহী করা যায়, তাহলে আমি কিছুটা এগোলাম, তারা কিছুটা এগোলেন। একটি মাঝামাঝি জায়গায় যাওয়ার জন্যে কিছু ছবি সেভাবে বানানো যেতে পারে।

‘হালদা’-র ক্ষেত্রে প্রথম থেকে আমি চেয়েছি ছবিটি মানুষ দেখুক। ‘অজ্ঞাতনামা’-র পর আমার মনে যে কষ্ট ছিল, এটি আমি ‘হালদা’-তে রাখতে চাইনি। উৎসবের কথা না, দর্শকেদের কথা ভেবে আমি ‘হালদা’ বানিয়েছি। গল্পটি সেভাবে করা হয়েছে। ছবিটিতে ছয়টি গান রয়েছে। গানগুলো পিন্টু ঘোষ লিখেছেন, সুর করেছেন। কয়েকটি গান ইউটিউবে ছাড়ার পর ভালো সাড়া পেয়েছি। সেগুলো অনেক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে। আমার মনে হয় ‘হালদা’ দর্শকদের ছবি। ‘হালদা’ যদি সফল হয়, তাহলে আমার পরিকল্পনা রয়েছে বিকল্পভাবে এগিয়ে যাওয়া। নিজের জন্য কম্প্রোমাইজ না করে ছবি বানাতে পারি। এমন ছবি বানালাম কিন্তু দর্শকরা দেখলেন না এটি হতাশার বিষয়। আবার দর্শকরা দেখলেন কিন্তু তা শিল্পোত্তীর্ণ হলো না, সেটি আরেক ধরনের কষ্ট শিল্পীর জন্য।

স্টার অনলাইন: সবাই আপনাকে এক নামে চেনেন। অভিনেতা হিসেবে আপনি অনেক পরিচিত। বর্তমানে পরিচালক হিসেবে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। তাই ‘হালদা’ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কেমন?

তৌকীর আহমেদ: চলচ্চিত্র বানানো যতটা কঠিন, তার চেয়ে বেশি কঠিন এর বিপণন করা। ছবি মুক্তির আগে খুব চাপ থাকে এবং চাপ যায়। এবার আমি চেষ্টা করেছি ‘হালদা’-কে যাতে হলে পৌঁছে দেওয়া যায়। ‘অজ্ঞাতনামা’-র মতো যেন এটি অল্প হলে মুক্তি না পায়। ইতোমধ্যে আমরা ১০০টির মতো হল নিশ্চিত করেছি। আমাদের ছবি পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে অভি কথাচিত্র, তারা সফলতার সঙ্গে বেশকিছু ছবি পরিবেশন করেছেন। ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর মতো ছবি তারা পরিবেশন করেছেন। তারা অভিজ্ঞ এবং প্রচারণাটি বোঝেন। আমি সব সময় বলি, প্রমোশনটা কিন্তু পরিচালকের কাজ না। পরিচালকের কাজ হলো সুন্দর করে ছবি বানানো। অনেকটা কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার মতো। তার দায়িত্ব হলো কন্যাকে মানুষ করা। ঘটকের দায়িত্ব হলো ভালো পাত্র জোগাড় করে আনা। আমার মনে হয় ঘটকের প্রয়োজন রয়েছে। তারা ছবিটি সুন্দরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন।

স্টার অনলাইন: আপনি দীর্ঘদিন ছবি বানানোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ সময়ে এসে আপনার কাছে কী মনে হচ্ছে, আমরা কোথাও কি আটকে আছি?

তৌকীর আহমেদ: ইন্ডাস্ট্রিটাকে রিনিউ করা হয়নি। সত্তর-আশির দশকের স্বর্ণযুগ আস্তে আস্তে খারাপের দিকে যেতে শুরু করল। কিংবা নব্বইয়ের দশকে অশ্লীলতার দিকে ধাবিত হলো। বি-গ্রেডের ছবি নির্মাণ শুরু হয়ে গেল। পাশাপাশি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবিগুলো প্রতিবাদ করতে শুরু করল। আমি মনে করি, সেটি তানভীর মোকাম্মেল, মোরশেদুল ইসলাম, তারেক মাসুদ এবং তাঁদের পরে আমি, ফারুকী, আবু সাইয়িদ, আবু শাহেদ ইমন কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে অমিতাভ রেজা, অনিমেষ আইচ— আমরা ভিন্নমাত্রার ছবি নির্মাণ করার চেষ্টা করেছি। আমি বলব না, আমরা ভালো করেছি বা সফল হয়েছি। কিন্তু, এটি ভিন্নধারার স্বাধীন চলচ্চিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রিটাকে রিনিউ করার যে ব্যাপারটি ছিল, সেটি হলো: এই কঠিন শিল্পমাধ্যমে যোগ্য মানুষদের আসা দরকার। যে কেউ বানিয়ে ফেললে আসলে মানসম্মত ছবি হবে না। আমাদের এখানে যেটি হয়েছে, একই ফরমেটের জিনিস দেখাতে দেখাতে আমরা দর্শকদের হল থেকে বিতাড়িত করেছি। এটি খুবই দুঃখজনক। এর অনেক কারণ আছে। তেরশো হল থেকে কমে এখন তিনশো হলে চলে এসেছে। হলগুলোর কোনো উন্নয়ন হয়নি। এগুলোর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। মাঝখানে বড় একটি ঘটনা ঘটেছে। সেটি হলো প্রজেকশন সিস্টেম। যখন সেলুলয়েড ছিল, তখনো কম পয়সায় কার্বন কম দিয়ে কীভাবে ছবি চালানো যায় সেটি হয়েছে। সাউন্ড খারাপ হয়েছে সেই কারণে। আমি দেখেছি বাণিজ্যিক ধারার ছবিতে তখন অত্যন্ত চড়া রঙের দৃশ্যায়ন চলে এসেছে। একটি সংস্থা এর মনোপলি করছে। এটি যেন না হয় সেদিকে নজর দেওয়া দরকার। আমার মনে হয়, এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারকে মনে রাখতে হবে চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এর মাধ্যমে জাতি গঠন করা যায়। এর মাধ্যমে মানুষকে মোটিভেটেড করা যায়। মানুষের রুচিকে উন্নত করা যায়। সেটি যদি করা যায়, তাহলে সব ধরনের সমস্যা দূর করা যাবে।

একটি উদাহরণ দেওয়া যাক, যখন বিশ্বকাপ খেলা হয় তখন পৃথিবীতে অপরাধের হার কমে আসে। মানুষকে যদি বিনোদন, খেলাধুলা বা ভালো কোনো বিষয়ে জড়াতে পারি, তাহলে সে অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। আমি মনে করি চলচ্চিত্র এক সময় আমাদের প্রধান বিনোদন মাধ্যম ছিল। সেটিকে আমরা যদি আবার ফিরিয়ে আনতে পারি, তাহলে তা আমাদের তরুণ সমাজ, খেটে খাওয়া মানুষ ও শিক্ষিত মানুষদের বিনোদন দিতে পারবে। কেননা, তাঁদেরও তো অধিকার রয়েছে সিনেমা হলে যাওয়ার। সিনেমা হলের বড় পর্দায় ছবি দেখার একটি আনন্দ আছে। কেননা, এটি লার্জার দেন লাইফ। এটি আমার জীবনের চেয়ে রূপালি পর্দায় বড় করে দেখতে পায়। সেটি টিভির পর্দায় কিংবা প্রোজেক্টরে ছবি দেখার মধ্যে নেই। সরকার যদি এখানে মনোযোগ দেয় এবং দেশব্যাপী ছোট ছোট সিনেপ্লেক্স করে দেয়, তাহলে ভালো কিছু হবে। ভালো ছবির প্রদর্শন হবে। রুচি তৈরি হবে দর্শকদের।

স্টার অনলাইন: আপনি তো মূলত আর্কিটেক্ট। এরপর অভিনয় দিয়ে শুরু। এখন কি পরিচালনায় থেকে যেতে চান?

তৌকীর আহমেদ: আমি মনে করি লাইফ ইজ অ্যা জার্নি। জীবন সুন্দর একটি উপহার। আমরা এটি পেয়েছি। পৃথিবীর আলো-বাতাসে ঘুরছি, খাচ্ছি, হাসছি। সবকিছু করছি, ভালোবাসছি এটি একটি বিরাট পাওয়া। সেই সফরে থেমে থাকার কোনো সুযোগ নেই। আমি যেমন প্রথমে স্থাপত্যের ছাত্র ছিলাম, থিয়েটারে যুক্ত হয়েছিলাম, সেট সাজাতাম, চেয়ার টানতাম। তারপর অভিনেতা হলাম, সহকারী পরিচালক, সেট ডিজাইনার হলাম। সেখান থেকে পরিচালনা করলাম। তারও পাশাপাশি টেলিভিশনে পরিচিতি পেলাম। জনপ্রিয়তা হলো। তখন মনে হলো আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু করতে চাই। তখন আমার মনে হলো আমার আকর্ষণ চলচ্চিত্রের দিকে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া, নিজেকে তৈরি করা। পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করলাম। পাশাপাশি অন্য কাজগুলো এখনো করি। মঞ্চ নাটকের পাণ্ডুলিপি করেছি, এটি বইমেলায় প্রকাশিত হবে। নাট্যকেন্দ্র সেটি প্রযোজনা করবে। এছাড়াও, কেউ ডাকলে অভিনয় করছি। সামনে যদি অন্য কোনো মাধ্যম আমাকে টানে তাহলে করব। আমার মনে হয় যখন আমার বয়স হয়ে যাবে, শারীরিক-মানসিক সামর্থ্য এখনকার মতো থাকবে না। তখন আমি কী করব। এটি ভেবে রেখেছি। তখন হয়তো লিখতেই বেশি পছন্দ করব। সুতরাং বলা যায় না এই জার্নি কোথায় শেষ হবে। কিছু কবিতা জমেছে এই বইমেলায় সেগুলো হয়তো প্রকাশ করতে পারি।

স্টার অনলাইন: আপনি কখন আনন্দিত হন আপনার ছবিটি বেশি মানুষ দেখুক নাকি বেশি পুরস্কার লাভ করুক।

তৌকীর আহমেদ: আমি আসলে ভালো ছবি বানাতে চাই। ভালো ছবি যদি দর্শক গ্রহণ না করেন, তাহলে তো পুরস্কার আমার জন্য থাকছেই। তবে আমি ছবি বানাই দর্শকদের জন্য।

স্টার অনলাইন: ‘হালদা’-র জন্য শুভকামনা। ছবিটি নিয়ে আরো কিছু বলবেন কি?

তৌকীর আহমেদ: ‘হালদা’ ছবিটি যদি কষ্ট করে দেখতে যান, ভালো লাগলে ভালো বলবেন, খারাপ লাগলে খারাপ বলবেন। আমি চাই এই প্রচেষ্টায় আপনিও পাশে থাকুন। আপনি পৃষ্ঠপোষক হন, সমালোচক হন। আপনি এগিয়ে যেতে সহায়ক হন। আমার বিশ্বাস, ‘হালদা’ আপনাদের খারাপ লাগবেনা।

Comments

The Daily Star  | English

Contributing to peace in India’s northeast: PM highlights efforts to halt arms smuggling

Prime Minister Sheikh Hasina today said that the Awami League government has taken significant measures to stop arms smuggling routes through Bangladesh, contributing to peace in India's northeastern states

7m ago