দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেও যেখানে হতাশা তামিমের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিম ইকবাল পার করে দিয়েছেন দশ বছর। খেলা হয়ে গেছে ১৭৬টি ওয়ানডে ম্যাচ। দেশের হয়ে সর্বাধিক রান, সেঞ্চুরি সব রেকর্ডই তার দখলে। তবে ফিফটির চেয়ে চারগুণেরও কম সেঞ্চুরি করতে পারায় হতাশা তার কণ্ঠে।
Tamim Iqbal
তামিম ইকবাল (ফাইল ছবি)

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তামিম ইকবাল পার করে দিয়েছেন দশ বছর। খেলা হয়ে গেছে ১৭৬টি ওয়ানডে ম্যাচ। দেশের হয়ে সর্বাধিক রান, সেঞ্চুরি সব রেকর্ডই তার দখলে। তবে ফিফটির চেয়ে চারগুণেরও কম সেঞ্চুরি করতে পারায় হতাশা তার কণ্ঠে। 

১৭৬ ম্যাচে ৯ সেঞ্চুরির সঙ্গে তামিমের আছে ৪০টি হাফ সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ছয় হাজার রান থেকে আর মাত্র ৬৬ রান দূরে আছেন তিনি। তবে মাইলফলকের সামনে তৃপ্তি থাকলেও অর্ধশতকগুলোকে শতকে রূপান্তর করতে না পারার হতাশা লুকোলেন না, ‘সত্যি আমার নিজের কাছে খারাপও লাগে। আমার আরও অনেক সেঞ্চুরি করা উচিত ছিল। দিনশেষে বলতে গেলে ১৭০ টার বেশি ম্যাচ খেলে ফেলেছি। এবং প্রায় ৪০ টার মতো ফিফটি করেছি। ওইদিকে থেকে চিন্তা করলে এটা হতাশাজনক যে আমার আরও সেঞ্চুরি করা উচিত ছিল।’

আর একটা সেঞ্চুরি করলে শতকের সংখ্যা যাবে দুই অঙ্কের ঘরে। এই সিরিজে দুবার কাছে গিয়েও সেটা হয়নি। দশম সেঞ্চুরিটা তুলে নিতে চান দ্রুত,  ‘হ্যাঁ সেঞ্চুরির সংখ্যা দুই অঙ্কে যত দ্রুত নেওয়া যায় সেটা আমার লক্ষ্য থাকবে। ডাবল ফিগার দেখতেও ভাল্লাগে, শুনতেও ভাল্লাগে।’

প্রথম ম্যাচে অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়ের দেওয়া রান তাড়ায় ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তামিম। প্রতিপক্ষের রান বেশি না হওয়ায় আউট না হলেও যেতে পারেননি তিন অঙ্কের ঘরে। পরের ম্যাচেও করেছেন ঠিক ৮৪ রান। থিতু হয়ে এগুচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকেই। কিন্তু দারুণ এক বলে থামাতে হয় ইনিংস। সেঞ্চুরি না পাওয়ার হতাশা থাকলেও সন্তুষ্ট থাকছেন উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে না আসায়, ‘আমার কাছে মনে হয় যে সেকেন্ড ম্যাচে আমি যেভাবে খেলছিলাম একটা সময় ছিল যে আমি স্টার্ট্ করেছি খুবই স্লো। আমার কাছে যেটা সবচে ভাল যে আমি উইকেটটা ছুঁড়ে দিয়ে আসি নাই। ’

Comments

The Daily Star  | English