কক্ষপথে যাওয়ার অপেক্ষায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

​আগামী মাসে পৃথিবীর কক্ষপথে যাওয়ার জন্য তৈরি দেশের প্রথম বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। উৎক্ষেপণের পর তিন মাসের মধ্যেই স্যাটেলাইটটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে এটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রেরণ করা হবে।

আগামী মাসে পৃথিবীর কক্ষপথে যাওয়ার জন্য তৈরি দেশের প্রথম বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। উৎক্ষেপণের পর তিন মাসের মধ্যেই স্যাটেলাইটটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে এটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রেরণ করা হবে।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ জানিয়েছেন, উৎক্ষেপণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি এর মধ্যেই শেষ হয়েছে। সংস্থাটি বহুল আলোচিত এই স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করছে।

বঙ্গবন্ধু-১ এর নকশা ও নির্মাণ করেছে ফরাসি কোম্পানি থেলিস এলেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটটির বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাছে তারা স্যাটেলাইটটি হস্তান্তর করার অপেক্ষা করছে।

প্রাথমিকভাবে গত বছরের বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ফ্লোরিডায় হারিকেন ইরমা ও এর ফলে বন্যা হওয়ায় উৎক্ষেপণ মার্চ মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছিলেন মার্চ মাসে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ আর হচ্ছে না। এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে যে কোনো দিন এটি উৎক্ষেপণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, উৎক্ষেপণের ১৫ দিন আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার কথা জানানো হবে। তার আগে নিশ্চিত করে কোনো কিছুই বলা সম্ভব নয়।

সম্ভাব্য তারিখের কথা জানতে চাইলে বিটিআরসি চেয়ারম্যানও মন্ত্রীর কথারই পুনরাবৃত্তি করে বলেন, উৎক্ষেপণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলেই ফ্রান্স থেকে স্যাটেলাইটটি ফ্লোরিডায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

ফ্লোরিডার স্পেস-এক্স লঞ্চপ্যাড থেকে মহাশূন্যে যাবে বঙ্গবন্ধু-১। উৎক্ষেপণের পর আট দিনে এটি তার জন্য নির্ধারিত ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব কক্ষপথে অবস্থান গ্রহণ করবে। স্যাটেলাইট সংশ্লিষ্টরা জানান, স্যাটেলাইটটি তার নির্ধারিত অবস্থানে পৌছতে তিন সপ্তাহ সময় নিবে। এর দুই মাস পর বাণিজ্যিকভাবে এটি ব্যবহার উপযোগী হবে।

মোস্তফা জব্বার জানান, বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ দেশব্যাপী উদযাপন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। একে দেশের ইতিহাসের অন্যতম অর্জন ও “জাতীয় গর্ব” হিসেবে দেখছে বর্তমান সরকার।

Comments

The Daily Star  | English
IMF loan conditions

3rd Loan Tranche: IMF team to focus on four key areas

During its visit to Dhaka, the International Monetary Fund’s review mission will focus on Bangladesh’s foreign exchange reserves, inflation rate, banking sector, and revenue reforms.

7h ago