খেলা

আতঙ্কিত হয়ে মিথ্যা বলেছিলেন বেনক্রফট

বল টেম্পারিং স্ক্যান্ডালে সাজা পাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ক্যামেরন বেনক্রফট বলেছেন সেদিন সংবাদ সম্মেলনে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। আতঙ্কিত হয়েই টেম্পারিং করায় স্যান্ড পেপারের বদলে স্টিকি টেপের কথা বলেছিলেন।
Cameron Bancroft
বৃহস্পতিবার পার্থে সংবাদ সম্মেলন করেন বেনক্রফট। ছবি: এএফপি

বল টেম্পারিং স্ক্যান্ডালে সাজা পাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ক্যামেরন বেনক্রফট বলেছেন সেদিন সংবাদ সম্মেলনে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। আতঙ্কিত হয়েই টেম্পারিং করায় স্যান্ড পেপারের বদলে স্টিকি টেপের কথা বলেছিলেন।

বৃহস্পতিবার পার্থে সাংবাদিকদের কাছে বেনক্রফট বলেন, 'আমি স্যান্ড পেপারের ব্যাপারে মিথ্যা বলেছিলাম। আমি ওই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। এইজন্য আমি খুব লজ্জিত, সেজন্য ক্ষমা চাইছি।'

বল টেম্পারিং এর ঘটনায় তার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে তিনিও হয়েছেন নিষিদ্ধ। মূল কাজটি তিনি করলেও জুনিয়র ক্রিকেটার হওয়ায় তার শাস্তি হয়েছে সবচেয়ে কম। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নয় মাস নিষিদ্ধ এই ক্রিকেটার সাজার পর এই প্রথম প্রকাশ্যে কথা বলতে এলেন। সেখানে তার কন্ঠ ছিল আদ্র। বারবার নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ৮ টেস্ট খেলা এই ক্রিকেটার। 

'প্রথমে আইসিসি ও পরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে পাওয়া সাজা আমি গ্রহণ করেছি। আমি ভীষণ দুঃখিত। আমি খেলাটাকে ভালোবাসি। আমি আমার কাজের জন্য প্রচণ্ড অনুতপ্ত। যারা আমার কাজে হতাশ হয়েছেন সবার কাছে আমি ক্ষমা চাইছি, বিশেষ করে শিশুদের কাছে আমি ক্ষমা চাইব। অস্ট্রেলিয়ায় খেলার গুরুত্ব আমি বুঝি, খেলার স্পিরিটের মূল্য বুঝেছি। এটা আমার জন্য একটা জাগরণ। ব্যাগি গ্রিপ ক্যাপ পরতে পারে ছিল অসাধারণ সুযোগ।'

গত শনিবার কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং করে ধরা পড়েন ক্যামেরন বেনক্রফট। লিডারশীপ গ্রুপের নির্দেশে এই টেম্পারিং হয়েছে বলে পরে স্বীকার করেন স্টিভেন স্মিথ।

পরে আইসিসি স্মিথকে এক টেস্ট নিষিদ্ধ করেছিল, জরিমানা করেছিল বেনক্রফটকে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) এই ঘটনায় আলাদা তদন্ত কমিটি ঘটন করে। তাতে পেরিয়ে আসে বল টেম্পারিং করা হয়েছে স্যান্ড পেপার ব্যবহার করে। যদিও বেনক্রফট জানিয়েছিলেন টেম্পারিং করতে তিনি ব্যবহার করেন স্টিকি টেপ।

বুধবার সিএ স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে এক বছর নিষিদ্ধ করা হয়। নয় মাসের নিষেধাজ্ঞা পান ক্যামেরন বেনক্রফট।

Comments

The Daily Star  | English
Illustration showing man stealing data

Government mishandling of personal data: Where does it end?

Are these incidents of data breach and data leaks not contradictory to the very image of the smart, digital, developed Bangladesh that they are desperately trying to portray or advertise?

1h ago