কে এই ইউটিউবে হামলাকারী নারী?

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইউটিউবের সদরদপ্তরে হামলাকারী হিসেবে যে নারীকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে তিনি একজন নিরামিষভোজী ব্লগার।
Nasim Najafi Aghdam
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইউটিউবের সদরদপ্তরে হামলাকারী হিসেবে চিহ্নিত নাসিম নাজাফি আঘদাম। ছবি: নাসিমইসাবজ ডটকম এর সৌজন্যে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ইউটিউবের সদরদপ্তরে হামলাকারী হিসেবে যে নারীকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে তিনি একজন নিরামিষভোজী ব্লগার।

হামলাকারীর অনলাইন প্রোফাইল থেকে জানা যায়, ইউটিউবে তিনি বৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন- এমন অভিযোগ ছিল প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

সান দিয়াগোর অধিবাসী ইরানি বংশোদ্ভূত নাসিম নাজাফি আঘদাম নামের ৩৯ বছর বয়সী এই নারী দক্ষিণ সান ফ্রান্সিসকোর সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত ইউটিউবের কার্যালয়ে গতকাল (৩ এপ্রিল) হামলা করেন।

আঘদামের গুলিতে একজন পুরুষ ও দুজন নারী গুরুতর আহত হন। এরপর আত্মহত্যা করেন সেই হামলাকারী।

এক বার্তায় পুলিশ জানায়, “এই হামলার পেছনের কারণগুলো খতিয়ে দেখছে সান ব্রুনো পুলিশ বিভাগ। এখন পর্যন্ত এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে হামলায় যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তিনি হামলা চালিয়েছিলেন।”

আঘদামের অনলাইন প্রোফাইলে রয়েছে, তিনি একজন নিরামিষভোজী। তিনি নাসিমইসাবজ ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট চালাতেন। ফারসিতে এর অর্থ ‘বিশুদ্ধ বাতাস’। এই সাইটটিতে তিনি ইরানি সংস্কৃতি এবং নিরামিষভোজী হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরতেন। সাইটটিতে ইউটিউবের তীব্র সমালোচনাও করতেন তিনি।

গতকাল সাইটটি থেকে সরিয়ে নেওয়া এক ভিডিও পোস্টের স্ক্রিন শটে দেখা যায় তিনি অভিযোগ করছেন, “ইউটিউব আমার চ্যানেলটিকে ফিল্টার করছে। দর্শকদের মতামত দেখতে দেওয়া হচ্ছে না!”

এ বিষয়ে মন্তব্য করার জন্যে ইউটিউবের মুখপাত্র জেসিকা ম্যাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকশ গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। দেশটির নাগরিকদের আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অধিকার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক চলছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বন্দুকধারীর গুলিতে ফ্লোরিডার একটি স্কুলে ১৭ জন মারা যাওয়ার পর এই বিতর্ক আরও জোরালো হয়ে উঠে।

Comments

The Daily Star  | English
Road crash deaths during Eid rush 21.1% lower than last year

Road Safety: Maladies every step of the way

The entire road transport sector has long been plagued by multifaceted problems, which are worsening every day amid sheer apathy from the authorities responsible for ensuring road safety.

7h ago