টানা দুই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি চূড়ান্ত হয়েছিল আগেই। এবার ২০২১ সালেও হবে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে জায়গা দিতে সূচী থেকে বাদ পড়েছে সেবছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
W-T20

২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি চূড়ান্ত হয়েছিল আগেই। এবার ২০২১ সালেও হবে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে জায়গা দিতে সূচী থেকে বাদ পড়েছে সেবছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।

২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে অস্ট্রেলিয়ায়। ২০২১ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হওয়ার কথা ছিল ভারতে। এবার সূচি থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ছাঁটাই করে দিয়ে সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। নতুন সম্ভাব্য সূচিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য কোন জায়গাই রাখেনি আইসিসি।২০১৭ সালে জমজমাট একটি আসরের পরও তাই টুর্নামেন্টটির ভবিষৎ অনিশ্চিত হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার আইসিসি বোর্ড সভায় এসব গুরুত্বপূর্ণ অদল-বদলের সিদ্ধান্ত আসে। পর পর দুই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন অবশ্য এটাই নতুন নয়। ২০০৯ ও ২০১০ সালেও পর পর দুই বছর হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এরপর থেকে দুই বছর পর পর টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হলেও ২০১৬ সালের পর ওয়ানডে বিশ্বকাপের মতো চার বছরের বিরতি তৈরি করা হয়।

তবে চার বছরের বিরতির একবার দিয়েই সে নিয়ম বদলে দিল আইসিসি। ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপও আয়োজন করা হয়েছিল। দুই বছর বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে হয় পরেরটি। সেসময়ের নিময় অনুযায়ী ২০১১ সালে হওয়ার কথা ছিল পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু এক বছরে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থাকায় এক বছর এগিয়ে ২০১০ সালে আনা হয়েছিল টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসর।

 

২০১৯-২০২৩ ভবিষ্যৎ সফর সূচিতে উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক আসর:

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ: ২০১৯, ২০২৩

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি: ২০২০, ২০২১

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ:  প্রথম চক্র - ২০১৯-২০২১; দ্বিতীয় চক্র- ২০২১-২০২৩

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাই লিগ: ২০২০-২০২২

Comments

The Daily Star  | English
Rapidly falling groundwater level raises fear for freshwater crisis, land subsidence; geoscientists decry lack of scientific governance of water

Dhaka stares down the barrel of water

Once widely abundant, the freshwater for Dhaka dwellers continues to deplete at a dramatic rate and may disappear far below the ground.

10h ago