শান্তিনিকেতনে হাসিনা-মোদিকে গান শোনাবেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে গান পরিবেশনের সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বভারতীর সংগীত বিভাগের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
এভাবেই রোজ বাংলাদেশ ভবনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার রিহার্সেল করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। ছবি: স্টার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে গান পরিবেশনের সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বভারতীর সংগীত বিভাগের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।

আগামী ২৫ মে বিশ্বভারতীতে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করতে শান্তিনিকেতনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিনে বিশ্বভারতীর সমাবর্তন হওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে উপস্থিত থাকবেন। তারা দুজনে মিলে  বাংলাদেশের অর্থায়নে নির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করবেন।

বাংলাদেশ ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি ৬০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকবেন। তাদের মধ্য থেকে একটি দল গান পরিবেশন করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিরও সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

আর এই করণে মহা-আনন্দে বিশ্বভারতীর সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানের মহড়া শুরু করে দিয়েছেন। বিভাগের অধ্যাপক স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন তারা। পরিবেশন করা হবে ‘আনন্দলোকে, মঙ্গলালোকে’- এই রবীন্দ্র সংগীত।

সংগীত বিভাগের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘প্রায় চার দিন ধরে প্রতিদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানের মহড়া চলছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সামনে সংগীত পরিবেশন করার সুযোগ পেয়ে খুব আনন্দ লাগছে।’

কলকাতা থেকে টেলিফোনে কথা হয় শান্তিনিকেতনে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা সরকার টুম্পার সঙ্গে। তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সুযোগ তার জীবনের অন্যতম বড় ঘটনা হয়ে থাকবে।

এদিকে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশ ভবনের অডিটোরিয়ামের মুল অনুষ্ঠানে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন বলে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের হেড অফ চ্যান্সারি বিএম জামাল হোসেন জানিয়েছেন।

Comments

The Daily Star  | English

Cyclones in Bangladesh: Fewer but fiercer since the 90s

Though the number of cyclones in general has come down in Bangladesh over the years, the intensity of the cyclones has increased, meaning the number of super cyclones has gone up, posing a greater threat to people in coastal areas, a recent study found

33m ago