১০ জনের কলম্বিয়াকে হারিয়ে শুরু জাপানের

সারানস্কে ম্যাচের শুরুতে থেকেই উত্তেজনা। তিন মিনিটেই ফাউল, পেনাল্টি, লাল কার্ড শেষে গোল। ফলে শুরুতেই পিছিয়ে যায় কলোম্বিয়া। তারপরও লড়াই করেছিল দলটি। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেনি। ১০ জনের দল নিয়ে জাপানিজদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি তারা। ২-১ গোলের দারুণ জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে এশিয়ার দল জাপান।
কলম্বিয়া বনাম জাপান

সারানস্কে ম্যাচের শুরুতে থেকেই উত্তেজনা। তিন মিনিটেই ফাউল, হ্যান্ডবল, পেনাল্টি, লাল কার্ড শেষে গোল। ফলে শুরুতেই পিছিয়ে যায় কলোম্বিয়া। তারপরও লড়াই করেছিল দলটি। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেনি। ১০ জনের দল নিয়ে জাপানিজদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি তারা। ২-১ গোলের দারুণ জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে এশিয়ার দল জাপান।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় কলোম্বিয়া। পাল্টা আক্রমণে কলম্বিয়ার রক্ষণভাগে ফাঁকায় বল পেয়ে যান শিনজি কাগাওয়া। দারুণ শট নিয়েছিলেন। ঝাঁপিয়ে পড়ে সে শট ফিরিয়ে দেন কলোম্বিয়ান গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনা। ফিরতি বল পেয়ে আবার শট নেন কাগাওয়া। অবৈধভাবে হাত দিয়ে সে বল ফেরালে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ড দেখেন কলম্বিয়ার কার্লোস সানচেজ। পেনাল্টি পায় জাপান। আর পেনাল্টি থেকে গোল কোন ভুল করেননি সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা কাগাওয়া।

১০ জনের দল নিয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়েই খেলে কলোম্বিয়া। ১১ মিনিটে হুয়ান কুইন্তেরোর ফ্রি কিকে রাদামেল ফ্যালকাও ঠিকভাবে পা ছোঁয়াতে পারলে সমতায় ফিরতে পারতো দলটি। এরপর দুই দলই বেশ কিছু আক্রমণ করলেও অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে সুবিধে করে উঠতে পারছিলো কেউই।

৩১ মিনিটে খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন কলোম্বিয়ান কোচ হোসে পেকারম্যান। ফরোয়ার্ড হুয়ান কুয়াদ্রাদোকে উঠিয়ে মিডফিল্ডার উইলমার ব্যারিওসকে নামালে ভাগ্যও বদলায় তাদের। আক্রমণের ধার বাড়ে। দুই মিনিট পর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল তারা। কুইন্তেরোর বাড়ানো বল ঝাঁপিয়ে পড়ে পা ছুঁইয়েছিলেন ফ্যালকাও। দুর্ভাগ্য এবারও জাপানি গোলরক্ষক কাওয়াসিমাকে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি।

তবে ৩৯ মিনিটে সমতায় ফিরতে পারে কলোম্বিয়া। ডি-বক্সের সামান্য বাইরে ফ্যালকাওকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পায় দলটি। তা থেকে দারুণ চৌকসতার সঙ্গে বল জালে জড়ান কুইন্তেরো। জাপানিজ খেলোয়াড়দের বানানো দেয়ালের নিচ দিয়ে গড়ানো শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১০জন নিয়েও ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।

বিরতির পর কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় কলোম্বিয়া। সে সুযোগে তাদের চেপে ধরে জাপান। ৫৪ মিনিটে কাগাওয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে বারে শট নিয়েছিলেন ইওয়া ওসাকা। তবে দুরূহ কোন থেকে সুবিধা করতে পারেননি তিনি। ৫৯ মিনিটে মায়া ইয়োহিদা হেড লক্ষ্যে থাকেনি। দুই মিনিট পর হিরকি সাকাইয়ের ডান পায়ের শট সামান্যর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

আক্রমণের ধারা বজায় রেখে ৭৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইসুকে হোন্ডার কর্নার থেকে দারুণ হেডে বল জালে জড়ান ওসাকা। পিছিয়ে পড়েও আক্রমণের ধারা বাড়াতে পারেনি কলোম্বিয়া। উল্টো গোল দিয়ে যেন তেতে ওঠে জাপান। বেশ কিছু আক্রমণ করেছিল দলটি। অবশ্য শেষ ৫ মিনিটে প্রাণপণ চেষ্টা করেছিল কলোম্বিয়াও। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি। ফলে ২-১ গোলের জয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাপান।

Comments