নাইজেরিয়ার জয়ে স্বপ্নটা বড় হলো আর্জেন্টিনার

সাদামাটা ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিল ম্যাচ। প্রথমার্ধে কোন গোল নেই। নেই উত্তেজনাও। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে যেন পাল্টে গেল সব। আর এ বদলে যাওয়ার গল্পটা লিখলেন আহমেদ মুসা। জোড়া গোল করেছেন। হতে পারতো হ্যাটট্রিকও। কিন্তু তাতে কি? দল পেয়েছে দুর্দান্ত এক জয়।

সাদামাটা ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিল ম্যাচ। প্রথমার্ধে কোন গোল নেই। নেই উত্তেজনাও। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে যেন পাল্টে গেল সব। আর এ বদলে যাওয়ার গল্পটা লিখলেন আহমেদ মুসা। জোড়া গোল করেছেন। হতে পারতো হ্যাটট্রিকও। কিন্তু তাতে কি? দল পেয়েছে দুর্দান্ত এক জয়। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথটা দারুণ ভাবেই খোলা রইল নাইজেরিয়ার।

নাইজেরিয়ার এ জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার স্বপ্নটা জোরালো হলো আর্জেন্টিনারও। এখন অন্য খেলার ফলাফলের চেয়ে নিজেদের খেলায় মনোযোগটা ভালোভাবে দিতে পারবে তারা। প্রয়োজন শুধু শেষ ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে বড় একটি জয়। আর তা হলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েও লাভ হবে না আইসল্যান্ডের। তবে গোল ব্যবধানটা মাথায় রাখতে হবে আলবিসেলেস্তাদের।

ভলগোগ্রাদে শুক্রবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময়ই বল ঘোরাঘুরি করছিল মাঝ মাঠেই।  মাঝে মধ্যে বিক্ষিপ্ত আক্রমণ করেছে দুই দলই। কিন্তু লাভ হয়নি। গোল করার মতো ভালো কোন সুযোগ গড়তে পারেনি কোন দলই। যদিও এ অর্ধে কিছুটা এগিয়ে ছিল আইসল্যান্ডই। তবে গোলশূন্য ভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই জন্য ভিন্ন এক নাইজেরিয়া মাঠে নামে। শুরু থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণ। ৪৬ মিনিটে ওঘেনেকারো এতাবোর শট আটকে দেন দেন আইস গোলরক্ষক হানেস হলডরসন। তবে গোল পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি নাইজেরিয়ার। তিন মিনিট পরেই ভিক্টর মোসেসের ক্রস দারুণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নেন মুসা। তার চেয়েও দারুণ এক শট লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

৫৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো নাইজেরিয়ার। হয়নি ওই আইস গোলরক্ষক হলডরসনের দুর্দান্ত এক সেভে। উইলফ্রেড এনদিদির শট ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন তিনি। ব্যবধান বাড়ানোর জন্য একের পর এক আক্রমণ করে গিয়েছে সুপার ঈগলরা।

৭৩ মিনিটে বারে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন মুসা। গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারলেও বারে লেগে তা ফিরে আসে। দুই মিনিট আর আটকাতে পারেননি হলডরসন। কেনেথ ওমেরিওর কাছ থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়েছেন মুসা। কাটান গোলরক্ষককেও। তখনও সামনে দুই ডিফেন্ডার। কিন্তু তাদের ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে কোন ভুল করেননি মুসা।

দুই গোলে পিছিয়ে থেকে তা শোধ করতে আক্রমণের ধারা বাড়ায় আইসরা। ৮০ মিনিটে পেনাল্টিও পায় দলটি। কিন্তু তা থেকে লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি গিলফি সিগুর্ডসন। বারের উপর দিয়ে যায় তার স্পটকিক। এরপর আর গোল না হলে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে নাইজেরিয়া।

Comments