বলিউডে দামি তারকা অক্ষয়, সালমান

এ বছর বলিউডে সবচেয়ে দামি তারকা হিসেবে ফোর্বস ম্যাগাজিনের সেরা ১০০-এর তালিকায় নাম উঠেছে অক্ষয় কুমার এবং সালমান খানের।
Akshay Kumar and Salman Khan
বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার এবং সালমান খান। ছবি: সংগৃহীত

এ বছর বলিউডে সবচেয়ে দামি তারকা হিসেবে ফোর্বস ম্যাগাজিনের সেরা ১০০-এর তালিকায় নাম উঠেছে অক্ষয় কুমার এবং সালমান খানের।

৪০.৫ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে ‘প্যাডম্যান’ অভিনেতা তালিকাটিতে যুগ্মভাবে ৭৬তম অবস্থানে রয়েছেন। একই পরিমাণ আয় নিয়ে তালিকায় একই অবস্থানে রয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী স্কারলেট জনসন।

অক্ষয় কুমার সম্পর্কে ম্যাগাজিনটিতে বলা হয়েছে, তিনি বলিউডে নেতৃস্থানীয় একজন অভিনেতা। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি কাজ করেছেন ‘টয়লেট’ ও ‘প্যাডম্যান’ চলচ্চিত্রে। বিভিন্ন কাজের মুনাফা হিসেবে তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করেন। ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসেবে ২০১৭ সালে অক্ষয়ের আয় ছিল ৩৫.৫ মিলিয়ন ডলার।

অক্ষয় এবং স্কারলেটের ঠিক আগে রয়েছেন আমেরিকার পেশাদার গলফ খেলোয়াড় জর্ডান স্পিথ (আয় ৪১ মিলিয়ন ডলার)। আর ঠিক পরেই রয়েছেন ‘বিগ ড্যাডি’-খ্যাত মার্কিন অভিনেতা অ্যাডাম স্যান্ডলার। তার আয় ৩৯.৫ মিলিয়ন ডলার।

৩৭.৭ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে বলিউডের অপর অভিনেতা সালমান খান চলতি বছর ম্যাগাজিনটির তালিকায় যুগ্মভাবে রয়েছেন ৮২তম অবস্থানে। একই পরিমানের আয় নিয়ে তার সঙ্গে রয়েছেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের পেশাদার গলফ খেলোয়াড় ররি ইলরয়।

ম্যাগাজিনটির হিসাবে গত বছর সালমানের আয় ছিল ৩৭ মিলিয়ন ডলার।

ম্যাগাজিনটিতে ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ অভিনেতা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজনাতেও রয়েছেন। ফলে বিভিন্ন কাজের মুনাফা হিসেবে তিনি বেশ ভালো পরিমাণের অর্থ আয় করেন।

এছাড়াও, বিভিন্ন বিজ্ঞাপন থেকে যা আয় হয় তাতে দেখা যায় সালমান খান ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনীদের একজন।

তালিকায় সালমান ও ররির ঠিক আগে রয়েছে ইংলিশ রক ব্যান্ড ‘রোলিং স্টোনস’ (আয় ৩৯ মিলিয়ন ডলার) এবং ঠিক পরে রয়েছেন মার্কিন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ক্রিস জেনার (আয় ৩৭. ৫ মিলিয়ন ডলার)।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

আরও পড়ুন:

২০১৮ সালের বেশি আয়ের তারকারা

Comments

The Daily Star  | English

C&F staff halt work at 4 container depots

Staffers of clearing and forwarding (C&F) agents stopped working at four leading inland container depots (ICDs) in the port city since the early hours today following a dispute with customs officials, which eventually led to a clash between C&F staff and staff of an ICD

7m ago