ভারতে আতশবাজির পোড়ানোর সময় বেঁধে দিলো সুপ্রিম কোর্ট

আতশবাজি পোড়ানোর সময় বেঁধে দিলো ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আজ (২৩ অক্টোবর) বিচারপতি এ কে সিকরি এবং বিচারপতি অশোক ভূষণের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ তাদের রায়ে বলেছেন, এখন থেকে সামাজিক বা ধর্মীয় যে কোন উৎসবে রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে। এবং সেই আতশবাজিগুলো অবশ্যই হতে হবে পরিবেশবান্ধব।
Fireworks
ভারতে আতশবাজি পোড়ানোর সময় বেঁধে দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। ছবি: সংগৃহীত

আতশবাজি পোড়ানোর সময় বেঁধে দিলো ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আজ (২৩ অক্টোবর) বিচারপতি এ কে সিকরি এবং বিচারপতি অশোক ভূষণের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ তাদের রায়ে বলেছেন, এখন থেকে সামাজিক বা ধর্মীয় যে কোন উৎসবে রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে। এবং সেই আতশবাজিগুলো অবশ্যই হতে হবে পরিবেশবান্ধব।

তবে আতশবাজি পোড়ানোর ওপর পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা না দিলেও ইংরেজি বর্ষবরণ এবং বড়দিনে রাত পৌনে ১১টা থেকে রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর সময় নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ।

আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় পুলিশ প্রশাসনকে বাজি কারখানার ওপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারী চালাতে হবে। এর অন্যথা হলে পুলিশ প্রশাসন দায়ী থাকবে।

অনলাইনেও সব ধরণের আতশবাজি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছেন বিচারকরা।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, বায়ু দূষণের মাত্রা ২.৫ ইউনিটের বেশি হলে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়। মানুষের ফুসফুসে পোড়া বাজির ক্ষতিকর কণা ঢুকে পড়ে।

আতশবাজি প্রস্তুতকারী সংস্থার আইনজীবীরা যদিও এর পাল্টা যুক্তি হিসেবে আদালতকে জানিয়েছিলেন যে, শুধু আতশবাজি একা নয় এই মুহূর্তে ভারতে বাতাসের গতিবেগ ও তাপমাত্রা বায়ুদূষণের জন্য দায়ী। তবে আদালতকে তারা এও বলেন যে, আতশবাজি সম্পূর্ণ বন্ধ না করে একটা নিয়মের মধ্যে রাখা হোক। তাতে যেমন আতশবাজি প্রস্তুতকারীরা আইনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন অন্যদিকে তাদের জীবিকাও চলবে।

Comments