পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে নিগারদের কেবল ৭০ রানের পুঁজি

সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মেয়েদের এশিয়া কাপের ম্যাচে বাংলাদেশ গুটিয়ে করতে পেরেছে কেবল ৭০ রান।

আগের রাতের বৃষ্টিতে সিলেটের ভেজা মাঠে আগে ব্যাটিং ছিল চ্যালেঞ্জিং। টস হেরে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়ে খাবি খেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। শুরু থেকে একের পর এক উইকেট পতন, রানরেটের মন্থর গতিতে চরম বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। কুড়ি ওভার খেলেও আনতে তিন অঙ্কের বেশ আগেই থেমেছেন তারা। 

সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মেয়েদের এশিয়া কাপের ম্যাচে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে করতে পেরেছে কেবল ৭০ রান।

প্রথম ওভারেই পেসার ডায়না বেগের বলে টেনে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন শামিমা সুলতানা। আগের ম্যাচে ঝড় তুলা এই ব্যাটারের আউটে বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। সাদিয়া ইকবালের বাঁহাতি স্পিনে পরের ওভারে বোল্ড হয়ে যান ফারজানা হক পিংকি। রুমানা আহমেদকে চারে নামিয়ে ফল আসেনি। ডায়নার সোজা বলে এলবিডব্লিউতে বিদায় তিনিও। পঞ্চম ওভারে মাত্র ৩ রান তুলে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

চরম বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চেষ্টা চালান জ্যোতি। লতা মন্ডলকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে আনেন ২৪ রানের জুটি। এটিই পরে হয়ে থাকে ইনিংস সর্বোচ্চ জুটি। ডায়নাকে ফ্লিকে ও কাভার ড্রাইভে দুই চার মারার পর কিছুটা অক্সিজেন জুগিয়েছিলেন জ্যোতি। স্পিনারের বল এগিয়ে এসে চার পান লতাও। এই ধারা অব্যাহত থাকেনি। দশম ওভারে ফিরে যান লতাও। নিধার ভেতরে ঢোকা বল সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটে নিতে পারেননি লতা। এলডব্লিউতে বিদায় তার। 

দশ ওভারে শেষে দলের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৭। অধিনায়ক জ্যোতি আরও কিছুটা লড়াই চালিয়ে থামেন। নিধা দারের অফ স্পিনে পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউতে কাটা পড়েন তিনি। ওমাইনা সোহাইলের বলে স্লগ সুইপে বেশ ভালো সংযোগ করেছিলেন সুবহানা মুশতারি। কিন্তু ডিপ স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো ফিল্ডার বাউন্ডারি লাইনে লুফে নেন তার ক্যাচ। রিতু মনি নেমে দুই রানের চেষ্টায় কাটা পড়েন রান আউটে।  ১৮তম ওভারে রিতুর রান আউটের বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। আবার খেলা শুরু হলে শেষ ১৫ বলে বাংলাদেশ যোগ করতে পারে আরও ১২ রান।

অভিজ্ঞ সালমা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ বলে করেন ২৪।

Comments

The Daily Star  | English

Hefty power bill to weigh on consumers

The government has decided to increase electricity prices by Tk 0.70 a unit which according to experts will predictably make prices of essentials soar yet again ahead of Ramadan.

22m ago