'দুনিয়ার যেই থাকুক না কেন আমি আমার সেরাটা দিব'

আরব আমিরাতে এবার টি-টেন লিগে বাংলা টাইগার্সের হয়ে খেলেছেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। যদিও মাঠে নামার সুযোগ হয়েছে দুই ম্যাচে। তবে পুরো আসরে বড় বড় খেলোয়াড় সঙ্গে একই তাঁবুতে ছিলেন। প্রতিপক্ষ শিবিরেও ছিলেন অনেক তারকা খেলোয়াড়রা। তাতে আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে এ তরুণ পেসারের।

বয়সভিত্তিক দল থেকে উঠে আসা মৃত্যুঞ্জয় অবশ্য গত বিপিএলে দারুণ পারফর্ম করেছেন। বিশেষকরে স্লগ ওভারে তার বোলিং নজর কেড়েছিল সবার। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে ৮ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। এবার আরও অনেক বেশি পরিণত তিনি। টি-টেন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা এবার বিপিএলে কাজে লাগিয়ে ঝলক দেখাতে চান এ তরুণ।

সোমবার দলের অনুশীলনের ফাঁকে মৃত্যুঞ্জয় বলেন 'গত এক মাস আগে আমি টি-টেন খেলতে গিয়েছিলাম। আমি বলবো যে এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত যে এতো সুন্দর জায়গায় খেলতে পারলাম। আর অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমার ক্যারিয়ারে ওই এক মাস ছিল সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা।'

'আমি বিশ্বমানের বোলার আমিরের সাথে ছিলাম, সাকিব ভাইয়ের খুব কাছে ছিলাম এবং বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের আমি কাছ থেকে দেখেছি। সে হিসাবে আমি বলবো আমার ২-৩ বছরের অভিজ্ঞতা হয়েছে, খুব সুন্দর অভিজ্ঞতা সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের জন্য। আমি এটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো,' যোগ করেন এ তরুণ।

সবচেয়ে বড় কথা বড় ব্যাটারদের বল করতে এখন আর ভয় পান না মৃত্যুঞ্জয়, 'একটা জিনিস আগে ভয় পেতাম বড় ব্যাটারের সামনে পড়লে কেমন হবে এরকম...গত টি-টেনটা আমাকে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী করে দিয়েছে যে দুনিয়ার যেই থাকুক না কেন আমি আমার সেরাটা দিব এবং ভালো কিছু করবো।'

পাকিস্তানের পেসার আমিরের কাছ থেকে কিছু কার্যকরী টিপসও পেয়েছেন তিনি, 'আমির বিশ্বমানের বোলার। তিনি আমাকে অনেক বড় কোনো টিপস দেয়নি কিন্তু ছোট ছোট যেগুলো বলেছে সেগুলো আমার প্রয়োজন ছিল...। এ টুর্নামেন্টে আমাকে সাহায্য করবে।'

Comments

The Daily Star  | English

Primary Schools: Dropouts up after 14 years of decline

In a setback for the country’s primary education system, the school dropout rate saw a sudden rise last year after a steady decline over 14 years, according to a government report.

9h ago