ক্রিকেট

ব্রড-অ্যান্ডারসনের তোপে নিউজিল্যান্ডকে বিধ্বস্ত করল ইংল্যান্ড 

রোববার মাউন্ট মাঙ্গানুই টেস্টে ইংল্যান্ড জিতেছে ২৬৭ রানে। ৩৯৪ রানের লক্ষ্য পেয়ে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় স্রেফ ১২৬ রানে। মাত্র ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। আরেক অভিজ্ঞ পেসার ব্রড ৪৯ রানে পান ৪ উইকেট।
James Anderson

কঠিন লক্ষ্যে নেমে আগের দিনই খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। স্টুয়ার্ট ব্রড, জেমস অ্যান্ডারসনদের তোপ সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। চতুর্থ দিনে অনেকটা আনুষ্ঠানিকতা সেরে কিউইদের বিধ্বস্ত করেছে ইংল্যান্ড।

রোববার মাউন্ট মাঙ্গানুই টেস্টে ইংল্যান্ড জিতেছে ২৬৭ রানে। ৩৯৪ রানের লক্ষ্য পেয়ে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় স্রেফ ১২৬ রানে। মাত্র ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী অ্যান্ডারসন। আরেক অভিজ্ঞ পেসার ব্রড ৪৯ রানে পান ৪ উইকেট।

৫ উইকেটে ৬৩ রান নিয়ে খেলতে নেমে দিনের শুরুতেই মিচেল ব্রেসওয়েলকে হারায় কিউইরা। ২৫ রান করা এই ব্যাটার ধরাশায়ী হন জ্যাক লিচের বাঁহাতি স্পিনে।  খানিক পর স্কট কুগলেইন আর টিম সাউদিকে তুলে নেন অ্যান্ডারসন। নেইল ওয়েগনার ও ব্লেয়ার টিকনার শেষ দিকে সামান্য প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিলেন। তাদেরও ছেঁটে ইনিংস মুড়ে দেন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সফলতম পেসার।

এই টেস্টে মূলত তৃতীয় দিনেই হারের জায়গায় চলে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে আগ্রাসী মেজাজে ইংল্যান্ডের ৩২৫ রানের পর ৩০৬ পর্যন্ত করেছিল তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে বদলে যায় হিসাব। হ্যারি ব্রুকরা আবারও ইতিবাচক মানসিকতায় খেলে দলকে নেন এগিয়ে। ৩৭৪ রান তুলে কিউইদের ঘাড়ে বিশাল লক্ষ্য তাড়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় ইংল্যান্ড।

জবাব দিতে গিয়ে শুরুতেই ব্রডের তোপে পড়ে তারা। ২৮ রানেই পড়ে যায় ৫ উইকেট। এরপর ধুঁকতে ধুঁকতে হার ছাড়া যেন কোন পথ খোলা ছিল না তাদের। এই বড় হারে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজেও ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল টিম সাউদির দল।

দুই ইনিংসেই আগ্রাসী ব্যাট করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন হ্যারি ব্রুক। প্রথম ইনিংসে ৮১ বলে ৮৯ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪১ বলে ৫৪ করেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew left deep wounds on almost all corners of the economy.

54m ago