পেসারদের দাপটে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা

ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ১৯৩ রানে পিছিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড।

দিনের শুরুটা ভালোই ছিল নিউজিল্যান্ডের। শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দিয়ে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও টম লাথামের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় তারা। কিন্তু এরপরই জ্বলে ওঠেন শ্রীলঙ্কান পেসাররা। ৫টি উইকেট তুলে উল্টো স্বাগতিকদের চেপে ধরেন তারা।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ১৯৩ রানে পিছিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড। এদিন ৫ উইকেটে ১৬২ রান করে দিন শেষ করেছে তারা। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৫৫ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।

নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন কিউই দুই ওপেনার কনওয়ে ও লাথাম। এ জুটি ভাঙতেই লঙ্কান পেসারদের তোপে পড়ে দলটি। ৯ রানের ব্যবধানেই তিনটি উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।

কনওয়েকে ফিরিয়ে এ জুটি ভাঙেন আসিথা ফার্নান্ডো। তাকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। এরপর তিন নম্বরে নামা সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে ফেরান লাহিরু কুমারা। সে ধাক্কা সামলে ওঠার আগে হেনরি নিকোলসকেও তুলে নেন তিনি।

এরপর ড্যারিল মিচেলকে নিয়ে দলের হাল ধরেন লাথাম। ৫৮ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটার। এ জুটিও ভাঙেন ফার্নান্ডো। লাথামকে বোল্ড করে দেন এ পেসার। এরপর টম ব্লান্ডেলকে উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকভেলার ক্যাচে পরিণত করেন কাসুন রাজিথা। তাতে বড় চাপেই পড়েছে স্বাগতিকরা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন লাথাম। ১৪৪ বলে ৭টি চারের সাহায্যে এ রান করেন তিনি। কনওয়ে করেন ৩০ রান। ৮৯ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪০ রানে অপরাজিত রয়েছেন মিচেল। তার সঙ্গী মিচেল ব্রেসওয়েল ৯ রানে উইকেটে আছেন।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে ২টি করে উইকেট পেয়েছেন ফার্নান্ডো ও কুমারা। ১টি উইকেট নেন রাজিথা।

আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩০৫ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কা এদিন শেষ চার উইকেট হারিয়ে আরও ৫০ রান যোগ করে। সকালে স্কোরবোর্ডে ১১ রান যোগ করেই টিম সাউদির শিকার হন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। ৫৯ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৬ রান করেন এ ব্যাটার। এরপর লেজের বাকি সব ব্যাটারই অবশ্য ব্যক্তিগত রান দুই অঙ্কের কোটায় নিলে সাড়ে তিনশ পার হয় তাদের প্রথম ইনিংস।

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৬৪ রানের খরচায় ৫টি উইকেট নেন সাউদি। আরেক পেসার ম্যাট হেনরি পান ৪টি উইকেট।

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles taking lives

The bus involved in yesterday’s crash that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not given into transport associations’ demand for keeping buses over 20 years old on the road.

2h ago